
বায়েজিদ আহমেদ জোনায়েত : বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও চট্টগ্রামের পুন্ডরিক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
এর প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ এবং চট্টগ্রাম শহরে বিক্ষোভ করেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তার গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং মুক্তির দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চ ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সংখ্যালঘু জোট নামের দুটি সংগঠন ‘বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের’ ব্যানারে কর্মসূচি পালন শুরু করে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে এই জোটের মুখপাত্র করা হয়।
এর আগে গত ২৫ অক্টোবর জাগরণ মঞ্চ চট্টগ্রামে সমাবেশ করে। সমাবেশের পর পর চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে ও রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা গ্রেফতার করা হয় চিস্ময় দাসকে।
এদিকে চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এর আগে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে চিন্ময় দাসের মুক্তির দাবিতে জড়ো হন সনাতনী জাগরণ মঞ্চের নেতারা। এ ছাড়া চিন্ময় দাসের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবিতে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের চেরাগী মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ সনাতনি সম্প্রদায়ের দাবি তুলে ধরেছে।এই দিন রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।চিন্ময় কৃষ্ণকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ তাকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়। আদালত তাকে যাবি না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এতে চিন্ময় কৃষ্ণের অনুসারীরা আদালত প্রাঙ্গণ বিক্ষোভ মিছিল করে। এক পর্যায়ে পুলিশ এর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। তখন তাড়া চট্টগ্রাম বার কাউন্সিল সিনিয়র আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ হত্যার প্রতিবাদে দাবিতে সারাদেশ বিক্ষোভ মিছিল হয়। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের আবাসিক হল থেকে তাৎক্ষণিক মিছিল বের করে সাইন্সল্যাব নীলখেত ঘুরে মুল ফটকে এসে শেষ করে এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয়, ইসকন তুই জঙ্গি, স্বৈরাচারের সঙ্গী।ইসকনের আস্তানা ,ভেঙ্গে দাও,গুড়িয়ে দাও,ইসকনের দালালেরা, হুসিয়ার সাবধান।ভারতের দালালের, হুসিয়ার সাবধান। দিল্লির দালালেরা, হুসিয়ার সাবধান। দিল্লি যাদের মামা বাড়ি, বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি। ভারত যাদের মামা বাড়ি,বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি।
দেশে দাঙ্গা বাধানের চক্রান্ত করার কারণে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক! আর ভারতের এজেন্ট প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, বিদ্যানন্দন এবং ইসকন বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ করা হোক কারণ এরা দেশ এবং জাতির শত্রু।এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, সংখ্যালঘু নামে এরা দীর্ঘদিন দেশদ্রোহীতার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে। ভারতে প্রেসক্রিপশনে দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করে। এরা ধর্মকে পুঁজি করে নিজস্ব অর্থ হাসিল করার পায়তারা করেছে। এ সময় তাড়া আরো বলেন উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে কোন উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের প্রশ্রয় ২৪ এর বাংলায় ঠাই দেয়া হবে না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট বিবৃতি।
হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই
উগ্রবাদীদের রক্ষা নাই।
আপনার মতামত লিখুন :