
জাহেদ কায়সার চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বন্দর অভ্যন্তর পড়ে থাকা ১৫ বছর আগে আমদানি করা গাড়ি দীর্ঘদিন ধরে খালাস না হওয়ায় গাড়িগুলো সরানোর উদ্যোগ নিয়েছেন চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
২০০৮ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে আমদানি করা এমন ১২টি গাড়ির ইনভেন্ট্রি (বর্ণনামূলক তালিকা) তৈরির কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখা। যা ১৭ নভেম্বর রবিবারের মধ্যে তালিকা চুড়ান্ত করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের পি সেডে থাকা গাড়িগুলোর মধ্যে কোনটি BLACKIN উৎপাদনের ৫ বছরের মধ্যে আমদানি করা না হয় তবে তা আমদানি নীতি অনুযায়ী নিষিদ্ধ হিসেবে বিরচিত হবে।
সেক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণায়ের অনুমতি পত্র পাওয়া সাপেক্ষে নিলাম গাড়িগুলো ব্যবহার উপযোগি হলে তা তোলা হবে আর জরাজীর্ণ হলে ধ্বংস করা হবে।বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপ-কমিশনার সাঈদুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম কাস্টাসের নিলাম শাখা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আমদানি করে খালাস না হওয়া এমন ১২টি গাড়ি সনাক্ত করা হয়েছে। এ ১২টি গাড়ির মধ্যে রয়েছে কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ, প্রাইম মুভার, ড্রাম ট্রাক, আরসি ভ্যান ইত্যাদি।
আর এ গড়ি গুলো ২০০৮ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে আমদানি করেন প্রতিষ্ঠান মেসার্স হেলাল অটোমোবাইলস, মেসার্স নাসিমা অটোস, মেসার্স হাবিদ অটোস, এইচ আর মোটরস, মেসার্স মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, মেসার্স এস এফ অটোমোবাইলস নামক আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে খালাস এ গাড়িগুলো সরানোর জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
আপনার মতামত লিখুন :