নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোল হোসেনের পরিবারের পাশে রফিকুল ইসলাম হিলালীনে নিহত আলী | Daily AjKaler Kontho

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোল হোসেনের পরিবারের পাশে রফিকুল ইসলাম হিলালীনে নিহত আলী


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৮, ২০২৪, ৪:৫৫ অপরাহ্ন
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোল হোসেনের পরিবারের পাশে রফিকুল ইসলাম হিলালীনে নিহত আলী

সুশীল আচার্য্য : বুধবার (৭ আগস্ট) বিকালে কেন্দুুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মোজাফরপুর গ্রামের বাসিন্দা নিহত আলী হোসেন বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারকে সান্তনা দিয়ে বলেন, আলী হোসেন ভাইসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ভাইবোনদের কারণে আজকে পুরো বাংলাদেশের মানুষ স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছেন।

আমরা মুক্ত বাতাসে আজ চলতে পারছি। আমি এবং আমার দল আপনাদের পাশে যেকোনো প্রয়োজনে সর্বদায় থাকবো। শহীদ আলী হোসেন ভাইয়ের পরিবারকে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। এসয়ম শহীদ আলী হোসেন পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করেন তিনি।

এরআগে তিনি শহীদ আলী হোসেনের কবর জিয়ারত ও তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা দোয়া করা হয়।

এসয়ম উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মজনু, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মাইন উদ্দিন,যুগ্ন আহবায়ক নাছির খন্দকার, সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইউসুফ খান পাঠান,

উপজেলা ছাত্রদলে সভাপতি সাইফুল আলম ভূঁইয়া,ছাত্রনেতা আবুল হোসেনসহ শতাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কমী তার সাথে ছিলেন।

উল্লেখ, শহীদ আলী হোসেন স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার উত্তরায় এলাকায় বসবাস এবং উত্তরা রাজলক্ষ্মী এলাকার রেললাইনের পাশে টংদোকানে বসে পান-সিগারেট ব্যবসা করতেন। ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজুকের কলেজ এলাকায় আন্দোলনকারী জমায়েত হলে তাদের সাথে একার্থতা পোষণ তিনিও সেখানে যান।

এসয়ম পুলিশ ও ছাত্ররা মুখোমুখি অবস্থান হলে আলী হোসেন আলী হোসেন গুলিবৃদ্ধ হন। পরে তাকে আন্দোলনকারীরা উদ্ধার করে উত্তরা চিনমৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন। ওইদিন রাত ৯টার দিকে পুলিশ তার পরিবারের লোকজনের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর করেন।

পরেরদিন সকাল ৯টার দিকে জানাজা নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। শহীদ আলী হোসেন ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান। মৃত্যুকালে মা, স্ত্রীসহ ৩টি কন্যা ও কর্মক্ষম এক ভাই রেখেগেছেন