
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি :- কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আগামী ৮ মে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। এরই মধ্যে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় ভোটের রাজনীতিতে প্রার্থীদের ব্যক্তি ইমেজের গুরুত্ব দিচ্ছেন ভোটাররা। ভোটারদের কাছে টানতে উপজেলা জুরেই চলছে গণসংযোগ সভা সমাবেশ। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও এর রেশ পড়েছে। ভোটাররা তাদের পছন্দসই প্রার্থীকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী করতে ফেসবুকে জানান দিচ্ছেন একের পর একস্বতঃস্ফূর্ত মতামত।
দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে কেরানীগঞ্জ বাসির ভাগ্য উন্নয়নে আগামী ৮ মে আনারস মার্কায় ভোট দেয়ার অনুরোধ করেন শাহিন আহমেদ।
দীর্ঘদিন ধরে শাহিন আহমেদ ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি উপজেলার সফল চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। জাতীয় রাজনীতি ও স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার আর্থসামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে অবদান রেখে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে। বর্তমান এমপির একান্ত প্রিয়জন হিসেবে বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালনের সুবাদে উপজেলা জুড়ে রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি।
জনসম্পৃক্ততা ও স্বচ্ছ ব্যক্তি ইমেজের কারণে এলাকায় তার নিজস্ব ভোট ব্যাংকও রয়েছে। আর যে কারণে এখন ১২ টি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানসহ ইউপি সদস্যরা শাহিন আহমেদকে নির্বাচিত করতে আনারস মার্কার প্রতিক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছে।
সাংগঠনিক দক্ষতায় স্থানীয় নেতকর্মীদের মন জয় করে নিয়েছেন। যে কারণেই প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মী জনপ্রতিনিধি পৌর কাউন্সিলরা শাহিন আহমেদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। উপজেলার উন্নয়নর তরান্বিত করতে আবারও শাহিন আহমেদ কে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে হবে।
শাহিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থেকেও আমি তার অপব্যবহার যেমন করিনি তেমনি রাজনীতিকে সম্পদ অর্জনের সিড়ি হিসাবেও বিবেচনা করিনি। আমার কাজের জন্য যাতে আমার পরিবার পরিজন, বন্ধু-বান্ধব তথা এলাকাবাসীর মুখে যাতে চুনকালি না পড়ে সেজন্য আমি সর্বদা সচেতন ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমার প্রতি জনগণের আস্থা যেনো আমৃত্যু ধরে রাখতে পারি সেজন্য সবার দোয়া ও আশির্বাদ চাই। আমি বিশ্বাস করি মানুষের আস্থা অর্জন করার চেয়ে মহৎ কোন কাজ একজন রাজনৈতিক কর্মীর আর হতে পারেনা।
আমি চেয়ারম্যান পুনরায় নির্বাচিত হলে অবহেলিত কেরানীগঞ্জ উপজেলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাব এবং অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করার চেষ্টা করব।
আপনার মতামত লিখুন :