
নিজস্ব প্রতিনিধি : রাত ১২:১ মিনিটে কেরানীগঞ্জ উপজেলা শহীদ মিনারে যেয়ে।ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা, সভাপতি নূরুল ইসলাম নাহিদ ও সাধারণ সম্পাদক বৃন্দাবন মল্লিকসহ ক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিক বিন্দুরা। সে সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেন।
৮ ই ফাল্গুন না ২১ শে ফেব্রুয়ারি কোনটা মাতৃভাষা। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন এর কথা হয়তো অনেকেই জানেনা। কিন্তু ২১ শে ফেব্রুয়ারি সবাই জানে মাতৃভাষা দিবস। মাতৃভাষার ছোট্ট একটি শব্দ হারিয়ে গেছে কালের বিবর্তনে ৮ই ফাল্গুন, কোথাও লেখা হয়না বাংলা ভাষার এই শব্দটা।এমনকি গুগলে ও এর কোন ব্যানার পোষ্টার খুজে পাওয়া যায়না। অথচ এই ভাষার মান রাখতে প্রান দিয়াছে আমাদের ভাই।
সালাম বরকত রফিক শফিক সহ আরো অনেকে সেদিন মাতৃভাষার জন্য প্রান দিয়েছেন। প্রান দিয়েও কি মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে? প্রশ্ন ভাষাবিদদের কাছে।ছোট বেলায় স্কুলে গাইতাম…..” মাগো ৮ ই ফাল্গুনের কথা আমরা ভুলিনাই, সেদিন সালাম, বরকত, রফিক, শফিক প্রান দিয়াছে আমার ভাই, ৮ ই ফাল্গুনের কথা আমরা ভুলিনাই”এখন স্কুলে একটাই গান……“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি আমিকি ভুলিতে পারি ”সেই ইংরেজি ভাষায় ২১ শে ফেব্রুয়ারির সাথেই পরিচয় বহন করছে মাতৃভাষা দিবস! হায় আফসোস বাঙালি।
৮ ই ফাল্গুনের কথা কেউ জানেনা, জানে শুধু ২১ শে ফেব্রুয়ারির কথা। এখানে কি মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে? হচ্ছেনা।এখন অনেকেই বলবে এটা আন্তর্জাতিক হয়েছে তাই ২১ শে ফেব্রুয়ারিকেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক তো এ-ই কয়েক বছর আগে হয়েছে। তার আগেও কি ৮ ফাল্গুন পালিত হতো?ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান রেখে ফেব্রুয়ারি:র ২১ তারিখ না হয়ে ফাল্গুনের ৮ তারিখ অমর হউক।যেহেতু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, তাই সারা বিশ্বে হউক ২১ শে ফেব্রুয়ারি, বাংলায় হউক বাংলাদেশের ভাষা দিবস পালিত ৮ ই ফাল্গুন। তাহলে ই শহীদের রক্ত বৃথা যাবেনা মাতৃভাষা বাংলা যে ভাষার জন্য আন্দোলন করেছে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা, বাংলা তারিখেই হউক মাতৃভাষা দিবস ৮ ই ফাল্গুন।
আপনার মতামত লিখুন :