ঈদের আগেই শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান কাদেরের | Daily AjKaler Kontho

ঈদের আগেই শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান কাদেরের


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জুলাই ৪, ২০২০, ৩:৪৬ অপরাহ্ন
ঈদের আগেই শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান কাদেরের

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করে মালিকরা বরাবরের মতো এবারও সহমর্মিতার নজির স্থাপন করবেন বলে বিশ্বাস করি।’

আজ শনিবার নিজের সরকারি বাসভবনে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে একথা বলেন তিনি।

ঈদুল আজহার তিন দিন আগে থেকে সড়ক-মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কৃষি, শিল্প ও রফতানিমুখী পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ত্রাণ, জ্বালানী, ওষুধ, খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্যসহ জরুরি সার্ভিস পরিবহন এর আওতামুক্ত থাকবে।’

মন্ত্রী জানান, ঈদের আগে-পরে আট দিন সড়ক-মহাসড়ক সংলগ্ন সিএনজি স্টেশনগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে।

তিনি আবারও স্মরণ করে দিয়ে বলেন, সড়ক-মহাসড়কের ওপরে কিংবা আশপাশে পশুরহাট বসানো যাবে না। প্রয়োজনে এ বছর কমসংখ্যক হাট বসানোর বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইনে পশু বেচা-কেনার বিষয়টিও বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

ফিটনেসবিহীন যানবাহন কোরবানির পশুরহাটে চলাচলে বিরত রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতোমধ্যে ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ধর্মীয় অনুভূতির পাশাপাশি কোরবানি ঈদকেন্দ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে অনেক মানুষের জীবন ও জীবিকা সংযুক্ত। পশুপালন, অ্যানিমেল ফার্মিং, পশুর চামড়া রফতানিসহ ঈদ-অর্থনীতি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে বাড়িওয়ালাদের অমানবিক আচরণ এবং মেসে থাকার শিক্ষার্থীদের মালপত্র ফেলে দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংকটে অনেকের আয় কমেছে, হারিয়েছেন চাকরি। আবার কেউ কেউ পরিবার নিয়ে কষ্টে জীবন যাপন করছেন। এমন পরিস্থিতিতে একে অপরের প্রতি সমব্যাথী হতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণখাতের অধিকাংশ ঋণগ্রহীতা প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের। করোনার আকস্মিক আঘাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় ও জীবনযাপনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অনেকেই সঞ্চয় ভেঙে চলছেন। অন্যদিকে ঋণগ্রহীতাদের অনেকে ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। এমতাবস্থায় তাদের ওপর কিস্তি শোধের বাড়তি চাপ – জীবনযুদ্ধ থেকে তাদের ছিটকে দিতে পারে, ভেঙে দিতে পারে মনোবল।

শেখ হাসিনার সরকার অর্থনীতির প্রতিটি খাতকে চাঙা রাখতে বাজেটে প্রণোদনাসহ নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আজকালের কন্ঠ / মএম