বাগেরহাট প্রতিনিধি : করোনা আতংকের মধ্যে এক রাতের মধ্যে বাগেরহাট জেলা সদরে কেজিতে ২৫ টাকা বেড়ে পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। আর সরু চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে বিক্র হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৮ টাকায়। বাজারে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও এক রাতের ব্যবধানে এসব খাদ্যপন্যের দাম হটাৎ করে বেড়ে যাবার পিছনে অতি
মুনাফারোভী আড়তদার, খুচরা দোকানী, চাহিদার দশগুনেরও অধিক পন্য ক্রয় করা ক্রেতা ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিযমিত বাজার মনিটরিং না করাকে দায়ী করছে বাগেরহাট চেম্বর অব কমার্সের সভাপতি শেখ লিয়াকত হোসেন লিটন।
শুক্রবার বিকালে বাগেরহাট জেলা সদরে খাদ্যপন্যের আড়ৎ ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখাগেছে, ক্রেতারা চাল, পেয়াঁজসহ খাদ্যপন্য কিনতে দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। তারা মাসিক চাহিদার দশগুনোর অধিক চাল, পেয়াঁজসহ খাদ্যপন্য কিনে নিচ্ছে। বাজারে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও অধিক মূল্যের বিষয়টি আমলে না নিয়ে ক্রেতারা তাদের চাহিদা মতো পন্য কিনে বাড়ী ফিরছেন। মরণঘাতি করোনাভাইরাসের কারনে খাদ্য পন্যেও দাম আরো বেড়ে যেতে পারে ? এমনকি করোনার কারনে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মতো বাগেরহাটও লকাউন হয়ে যেতে পারে এই আতংকে শুক্রবার সকাল থেকে সাধারন মানুষ খাদ্যপন্য কিনতে দোকানে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। নিত্যদিনের চাহিদার তুলনায় দশগুনেরও আতংকিত এসব ক্রেতারা দশগুনেরও অধিক পরিমান চাল, পেয়াঁজসহ খাদ্যপন্য কেনা শুরু করে। পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও হটাৎ করেই আড়াতদারা খাদ্যপন্যের দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন খোদ বাগেরহাট চেম্বর অব কমার্সের সভাপতি শেখ লিয়াকত হোসেন লিটন। বাগেরহাট চেম্বর সভাপতি বলেন, অতি মুনাফারোভী আড়তদার, খুচরা দোকানী, আতংকিত ক্রেতারা তাদের চাহিদার দশগুনেরও অধিক ক্রয় করা বাগেরহাটে খাদ্যপন্যের অস্বভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিযমিত বাজার মনিটরিং না করাকে দায়ী করে এই ব্যবসায়ি নেতা আরো বলেন, এসব অসৎ ব্যবসায়িরা সরকারের বাবমুর্তি নষ্ট করতে এসব করছে। ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলেই বাগেরহাটের খাদ্যপন্যেও মূন্য স্বভাবিক রাখা সম্বব হবে। এদিকে শুক্রবার দুপুরে করোনা ভাইরাসের অজুহাতে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে পেঁয়াজ অতিরিক্ত দামে বিক্রির করার অপরাধে বাগেরহাট শহরের দুই পাইকাড়ী পেয়াঁজ ব্যবসায়ী আ. ছত্তারকে ৪০ হাজার টাকা ও মো. কামরুল হোসেনকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রম্যমান আদালত।
আজকালের কন্ঠ /সওকাত /মিজান
আপনার মতামত লিখুন :