গাজিপুর প্রতিনিধি : গাজিপুর সিটি কর্পোরেশন কোনাবাড়ী থানার বিভিন্ন আবাসিক এলাকার ভিতরে ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ও কেমিক্যালের গোডাউন দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে বসেছেন অনেকেই ।যাহার কারণে বসবাসরত সকল নাগরিকদের চলাফেরা ও বসবাস করতে অসুবিধা হচ্ছে।
আবাসিক এলাকায় বসবাসরত একাধিক ব্যক্তিবর্গ জানান আমরা যে ফ্ল্যাটে বসবাস করি এর পাশেই অবস্থানরত গার্মেন্টসের মেশিনের বিকট শব্দে, ধূলাবালু বাসা বাড়িতে ডুকে যাওয়ায় কারণে শিশুদের শ্বাস কষ্ট এমনকি আরও শারিরিক সমস্যা দেখা জনিত রোগ দেখা দিচ্ছে। ক্যামিক্যাল এর গোডাউন থাকার কারণে গোডাউন গুলোতে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ যেমন এসিটিক এসিড, সোডিয়াম সালফাইড, সোডা পার-অস্কাইড,সোডিয়াম ক্লোরাইড জাতীয় পদার্থ একত্রিত হলে অগ্নিকান্ড ও ঘটতে পারে। এরকম আশাংকা করেন এলাকাবাসীরা।
এলাকা ঘুরে দেখা যায় যে কোনাবাড়ীতে একাধিক আবাসিক এলাকা রয়েছে।এর মধ্যে এসরার নগর,কোনাবাড়ী মডেল টাউন ও পারিজাত হাউজিংসহ একাধিক আবাসিক এলাকা । এই আবাসিক এলাকাও হাউজিং গুলোর ভিতরেই বিভিন্ন বাড়িওয়ালারা মোটা অংকের অগ্রিম টাকা ও ভাড়ার আশায় বিভিন্ন গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের জন্য ভাড়া দিয়েছে।এতে করে আবাসিক এলাকার বসবাসরত সকল নাগরিকের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
আরো জানা যায় বর্তমানে যে নতুন নতুন বিল্ডি তৈরি হচ্ছে অনেকইর প্লান পাস না থাকা সত্বেও তড়িঘড়ি করে বিল্ডিং তৈরি করে অগ্রিম এবং বেশি ভাড়ায় ভাড়া দিয়ে দিচ্ছেন।
এসরার নগর হাউজিংয়ের সভাপতি মোঃ সেলিম রহমান কাউন্সিলর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন হাউজিংয়ে কোনরকম গার্মেন্টস ব্যবসা কেমিক্যাল এর ব্যবসা জনসাধারণের অসুবিধা বা ক্ষতি হোক এমন কোন কিছুই করা যাবে না, এরকম কিছু করলে তাদেরকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান। এসরার নগর হাউজিংয়ের সাধারন সম্পাদক হাজী শামসুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আবাসিক এরিয়ার ভিতরে কোনরকম গার্মেন্টস কেমিক্যাল রাসায়নিক পদার্থের কোন দোকান ভাড়া দেওয়ার নিয়ম নীতি নেই। কিন্তু বাড়িওয়ালারা বেশি ভাড়ার আশায় তারা তাদের বাড়ি গার্মেন্টসে ভাড়া দিয়েছে এটা হাউসিং পরিপন্থী কাজ। তিনি বলেন আমরা এটা থেকে পরিত্রান চাই।এসরার নগর হাউজিংয়ের গার্মেন্টস ভাড়া দেওয়া রফিক নামের একজনের কাছে তার বাসা বাড়িতে ক্যামিক্যাল এর গোডাউন, গার্মেন্টস ভাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক দেরকে ৮নং ওয়ার্ড সভাপতির কাছে জানতে বলেন।
আজকালের কন্ঠ /কবির /মিজান
আপনার মতামত লিখুন :