মিজানুর রহমান : নিজ এলাকার বাসিন্দাদের মন জয় করে তাদের ভালোবাসা অর্জনসহ সব নেতৃত্বেই সমানতালে সফলতা অর্জন করেছেন। তার এই সফলতার পেছনে অন্যতম প্রধান কারন তার অতি সাধারন জীবনযাপন ও মানুষের বিপদে আপদে সর্বদায় পাশে থাকার এক অদম্য মানষিকতা যা তাকে তার এলাকার সর্বস্তরের মানুষের জন্য সেবা করাই আমার ধর্ম মধ্যমনি করে রেখেছে । কেউ কোন সমস্যা নিয়ে তার কাছে আসলে ব্যস্ততার ভিড়েও ধৈর্য্য সহকারে তাদের কথা শুনেন,সমস্যা সমাধানের সর্বাত্মক চেস্টা করেন। তার এই মহৎ কাজটি তিনি ছোট বেলা থেকেই করে আসছে। এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে রেখেছেন অসামান্য অবদান।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বিএম সিরাজ আবারও দলের মনোনয়ন পাওয়ায় এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে। মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে গণজোয়ার ।
এ খবর প্রকাশের পর পুরো এলাকায় চলছে আনন্দের বন্যা ও মিষ্টি বিতরণ। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে উচ্ছ্বাস।
ইতোমধ্যে এলাকার মুরব্বি ও তরুণদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী মাঠের পরিকল্পনা শুরু করেছেন ৬ নং ওয়ার্ডের এ জন প্রতিনিধি । এলাকার উন্নয়নে নিজের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ দিয়ে কাজ করেছেন বি এম সিরাজ ।
যার কারণে এলাকার মানুষ আজ তার সুফল পাচ্ছে। ভোগ করছে উন্নয়নের ছোঁয়া। নানামুখী উন্নয়নের কারণে পাল্টে গেছে ৬ নং ওয়ার্ডের দৃশ্যপট।
একারণে আবারও বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ের আশা বি এম সিরাজের। এলাকার সাধারণ মানুষও মনে করেন তিনি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবেন। সর্ব সাধারনের সমর্থনের কারণে জনপ্রিয়তায় তিনি এগিয়ে রয়েছেন।
এলাকাবাসী ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিএম সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে গর্ব করেন। মুগদার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ শক্ত অবস্থানে আছে বিএম সিরাজের কারণেই। তিনি এমনই একজন নেতা, যে নেতার কোন লোভ-লালসা নেই। তিনি কখনো কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননা। কর্মী বান্ধব এ নেতা কোন ভাইয়ের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে নিজের জীবন উৎস্বর্গ করতেও পিছপা হবেনা বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থীদের প্রচার ও গণসংযোগ আরও গতি পেয়েছে। সব এলাকাতেই এখন চলছে নির্বাচনী হাওয়া।
নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সভা-সমাবেশের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সঙ্গে গণসংযাগ ও মতবিনিময়, দলীয় ও সামাজিক কর্মসূচিগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছেন।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ চলবে।
পুরো ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে। ২২ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
আজকালের কন্ঠ /মিজান
আপনার মতামত লিখুন :