মধুমতী সেতুর উদ্ভোদন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা! | Daily AjKaler Kontho

মধুমতী সেতুর উদ্ভোদন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা!


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১০, ২০২২, ৪:২৬ অপরাহ্ন
মধুমতী সেতুর উদ্ভোদন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা!

নড়াইল প্রতিনিধি : দীর্ঘ অপেক্ষার পর আজ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চল মানুষের যাতায়াতের দোয়ার মধুমতী সেতুর উদ্ভোদন হলো।

আজ ১০ই অক্টোবর ২০২২ তারিখে দুপুর ১২টায় ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মধুমতী সেতুর উদ্ভোদন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা!

মধুমতী নদীর উপর নির্মিত বলে এ সেতুর নামকরণ করা হয়েছে “মধুমতী সেতু” নামে।
মধুমতী সেতুর পুর্বে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলা এবং পশ্চিমে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলা অবস্থিত!

কালনা মধুমতী সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১০ মিটার। উভয় পাশে সংযোগ সড়ক ৪ দশমিক ২৭৩ কিলোমিটার, যার প্রস্থ ৩০ দশমিক ৫০ মিটার। সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হবে ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
এ সেতুর চারটি মূল লেনে দ্রুতগতির ও দুটি লেনে কম গতির যানবাহন চলাচল করবে।

সেতুতে ৮৪টি সৌরবিদ্যুতের ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে। এতে সেতু আলোকিত হয়েছে। আটটি বুথের টোল প্লাজাও পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টোল নেওয়া হবে। এর আগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায় হবে বলে জানা যায়!

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ মধুমতী সেতুর টোল হার নির্ধারণ করেছে। এক্ষেত্রে বড় ট্রেইলার ৫৬৫ টাকা, তিন বা ততোধিক এক্সসেল বিশিষ্ট ট্রাক ৪৫০ টাকা, দুই এক্সসেল বিশিষ্ট মিডিয়াম ট্রাক ২২৫, ছোট ট্রাক ১৭০ টাকা, কৃষি কাজে ব্যবহৃত পাওয়ার ট্রিলার ও ট্রাক্টর ১৩৫ টাকা, বড় বাসের ক্ষেত্রে ২০৫ টাকা, মিনিবাস বা কোস্টার ১১৫ টাকা, মাইক্রোবাস, পিকাপ, কনভারশনকৃত জিপ ও রে-কার ৯০ টাকা, প্রাইভেটকার ৫৫ টাকা, অটোটেম্পু, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, অটোভ্যান ও ব্যাটারিচালিত তিন চাকার যান ২৫ টাকা, মোটরসাইকেল ১০ টাকা এবং রিক্শা, ভ্যান ও বাইসাইকেল পাঁচ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে মধুমতী সেতুর কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন
সেতুটির নির্মাণ কার্যাদেশ হয় ২০১৮ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর এবং নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট।

কালনা মধুমতী সেতু দেশের প্রথম ছয় লেনের সেতু। নেলসন লোস আর্চ টাইপের (ধনুকের মতো বাঁকা) সেতু এটি। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার এবং প্রস্থ ২৭ দশমিক ১ মিটার। উভয় পাশে ছয় লেনের সংযোগ সড়ক প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার। সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় ৯৬০ কোটি টাকা।

সেতুটি এশিয়ান হাইওয়ের ওপর অবস্থিত। সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সিলেটের তামাবিল হয়ে ঢাকা, ফরিদপুর, নড়াইল, যশোর, বেনাপোল, কোলকাতা পর্যন্ত সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে কালনা সেতু নির্মিত হয়েছে।

আজকালের কন্ঠ /রাকিব /কাজী ইমরান