‘নারায়ণগঞ্জের সব সাংবাদিকরে খাইয়া দিমু’ এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএমএসএফ | Daily AjKaler Kontho

‘নারায়ণগঞ্জের সব সাংবাদিকরে খাইয়া দিমু’ এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএমএসএফ


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ৮:৩২ অপরাহ্ন
‘নারায়ণগঞ্জের সব সাংবাদিকরে খাইয়া দিমু’  এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএমএসএফ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :‘নারায়নগঞ্জের সব সাংবাদিকরে খাইয়া দিমু’ ছাত্রলীগের এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ। রোববার বিএমএসএফ’র পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর বলেন, সংগ্রাম আর গৌরবের ছাত্রলীগের দ্বারা এই ধরনের আচরণ সাংবাদিকরা আশা করেনা। অবিলম্বে আপনাদের এই বক্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে সারাদেশের সাংবাদিকরা এই বক্তব্যের প্রতিবাদে মাঠে নামবেন।

গত শনিবার নারায়নগঞ্জ তোলারাম কলেজে সৌরভ হোসেন সিয়াম নামের এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে পেটান নারায়নগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের কয়েক নেতা। মহানগর ছাত্রলীগের পদধারী ওই নেতারা এক সাংবাদিককে পেটাতে পেটাতে বলতে থাকেন ‘এই কলেজেই পড়ো আবার সাংবাদিকতা করো। সততা দেখাও? নারায়ণগঞ্জের সব সাংবাদিকরে খাইয়া দিমু।’

ছাত্রলীগের ওই সকল নেতাদের উদ্দেশ্যে বিএমএসএফ’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আপনারা কত খেতে পারেন? আপনারা দল ও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় কাজ করুন। সাংবাদিকদের সাথে খেলতে যাবেন না।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে তোলারাম কলেজে মার্কশিট তুলতে গিয়ে এক ছাত্রকে বেধড়ক পেটানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেটি নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইনগুলোতে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

ওই সংবাদের জের ধরে তারা আমার ওপর হামলা করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক পিয়াস প্রধান, সহ সম্পাদক তামিম, উপ সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেহেদী প্রিন্স, তোলারাম কলেজ ছাত্র সংসদের লোক হিসেবে কলেজে পরিচিত মেহেদী হাসান প্রিন্স ও শাহরিয়ার পরশ (হৃদয়), সার্থক আহমেদ তোফা, শেখ হাবিবুর রহমান। সৌরভ জানান, এর আগেও গত বছরের ২৩ এপ্রিল সংবাদ প্রকাশের জেরে তোলারাম কলেজের ছাত্রছাত্রী সংসদ কক্ষের ভেতরে নিয়ে গিয়ে তাকে বেধরক মারধর করে। পিয়াস প্রধান, পরশ, মেহেদী। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছিল। জিডি নম্বর ১৩৩২।

 

আজকালের কন্ঠ /এমএম