
শরৎ এলেই প্রকৃতি যেন মেতে ওঠে তার নিজস্ব সৌন্দর্যে। নীল আকাশ, সাদা মেঘ আর বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুল জানান দেয় ঋতুর পরিবর্তনের।
নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মীয়মাণ ক্যাম্পাস এলাকাজুড়ে এখন সেই শরতেরই শুভ্র আয়োজন।
কাশফুলের মায়াবী সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রতিদিন বিকেলে এখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ আসছেন পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটিয়ে ফিরে যাচ্ছেন নির্মল আনন্দ নিয়ে।
দিগন্তজুড়ে শুধু শুভ্রতার ছোঁয়া মৃদু বাতাসে দুলছে সারি সারি কাশফুল। আর সেই সৌন্দর্যের মাঝেই আপন মনে হেঁটে বেড়াচ্ছেন দর্শনার্থীরা।
কারও হাতে মোবাইল ফোন, কেউ ব্যস্ত প্রিয় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে। আবার কেউ শুধু নীরবে উপভোগ করছেন প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য। নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মীয়মাণ ক্যাম্পাস এলাকার এই কাশবন এখন যেন শহরবাসীর কাছে হয়ে উঠেছে বিকেল কাটানোর নতুন এক ঠিকানা।
বিকেল হলেই শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন ছুটে আসছেন এখানে। তবে ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার বাড়ে ভিড় আরও বেশি। শত শত মানুষের পদচারণায় তখন মুখর হয়ে ওঠে কাশবন ঘেরা পুরো এলাকা।
কাশফুলের শুভ্রতার সঙ্গে নীল আকাশ মিলে তৈরি করছে ছবি তোলার দারুণ এক পটভূমি। তাই ঘুরতে এসে কেউ সেলফিতে, কেউবা ছবি ও ভিডিওতে ধরে রাখছেন শরতের স্মৃতি।
তবে এই কাশবন শুধু বিনোদনের জায়গা নয়, অনেকের কাছে এটি হয়ে উঠেছে একটু স্বস্তির ঠিকানা।
ব্যস্ততা আর কোলাহল থেকে দূরে, প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতেই এখানে আসছেন তারা। কাশফুলের দোল আর নির্মল বাতাসে যেন মুহূর্তেই ভুলে থাকা যায় নাগরিক জীবনের ক্লান্তি।
প্রিয়জনদের সঙ্গে আড্ডা, হাসি-আনন্দ আর ছবি তোলায় প্রতিদিনই প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে এই এলাকা।
আর সেই ছবির টানেই প্রতিদিন এখানে আসছেন মানুষ কেউ সৌন্দর্য উপভোগ করতে, কেউ একটু প্রশান্তির খোঁজে, আবার কেউ স্মৃতির পাতায় ধরে রাখতে শরতের এই মায়াবী মুহূর্ত।
কাশফুলের দোলা, নীল আকাশ আর নির্মল বাতাস সব মিলিয়ে শরতের অপরূপ সাজে বদলে গেছে নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নির্মীয়মাণ ক্যাম্পাস এলাকা। প্রকৃতির এই শুভ্র আয়োজনে তাই প্রতিদিনই বাড়ছে মানুষের আনাগোনা শরতের সৌন্দর্যে হারিয়ে গিয়ে কিছুটা নির্মল আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন তারা।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :