চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে ২য় দিন উপাচার্য কার্যালয়ে সিডিএম শিক্ষার্থীদের অবস্থান | Daily AjKaler Kontho

চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে ২য় দিন উপাচার্য কার্যালয়ে সিডিএম শিক্ষার্থীদের অবস্থান


আব্দুল্লাহ আল মামুন, ববি প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৩১, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ন
চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে ২য় দিন উপাচার্য কার্যালয়ে সিডিএম শিক্ষার্থীদের অবস্থান

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যানের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ৯টায় উপাচার্যের দপ্তরের সম্মুখে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে দুপুর ১২টায় উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে গণঅনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আলোচনায় বসেছে বিভাগটির চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা।

বিভাগটিতে তীব্র সেশনজটসহ আরও কিছু দাবি নিয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা৷

গতকাল ৩০ আগস্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা অফিস ও চেয়ারম্যানের কক্ষে তালা দিয়ে উপাচার্যের দপ্তরে অবস্থান নেয়। পরবর্তীতে উপাচার্যের আশ্বাসে চব্বিশ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে শিক্ষার্থীরা চলে যায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সজিব বলেন,” আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করবো। উপাচার্য আমাদের কাছে আরো ৩০ মিনিট সময় ছেয়ে নিছে। চেয়ারম্যান কে অপসারণ নাহলে আমরা শতাধিক শিক্ষার্থী উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অমরণ অনশন বসবো।”

এদিকে দুপুর সকাল ১১টার দিকে কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের সিনিয়র শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রকিকে ধাক্কা দেয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র নিজেদের বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী তামিম রহমান আশিক বলেন, ‘ আমরা এখানে সকাল ৯ টা থেকে অবস্থান করছি এবং দুপুর ১২ টা থেকে আমরা সবাই অনশণে বসেছি। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকে যাবো না। অনশণের কারণে আমাদের কোনো শিক্ষার্থীর কোনো ক্ষতি হলে এর দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্ততা পোষন করে ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন,” শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দবিই আমাদের দাবি। অন্য অন্য ডিপার্টমেন্ট সেশনজট নিরসন করতে পারলে কোস্টাল কেনো পারবে না? আমার মনে হয় ওনার বিরুদ্ধে আন্দোলন হওয়া উঠিত না, আন্দোলন শুরু হওয়ার আগে ওনি নিজে থেকে সরে যাওয়া উচিত। এখন যে আনন্দোনটা হচ্ছে এটা ওনার জন্য লজ্জাজনক। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশেই আছি।”

বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক সকল অভিযোগের বিষয়ে বলেন, মূলত শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সংকটের কারণেই এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের এমন চরম পন্থা অবলম্বন না করার আহ্বান জানান।

আজকালের কন্ঠ/আর বি