জুলাই আন্দোলনে ফ্লাইওভারের ওপর দাঁড়িয়ে উড়ানো সেই পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চান গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা আজিজুর শেখ | Daily AjKaler Kontho

জুলাই আন্দোলনে ফ্লাইওভারের ওপর দাঁড়িয়ে উড়ানো সেই পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চান গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা আজিজুর শেখ


কাজী ইমরান, নড়াইল প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : জুলাই ২৫, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ন
জুলাই আন্দোলনে ফ্লাইওভারের ওপর দাঁড়িয়ে উড়ানো সেই পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চান গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা আজিজুর শেখ

৪ আগস্ট মিরপুর ১০ নম্বর ভয়াবহ অবস্থা ছিল। জুলাইয়ের উত্তপ্ত আন্দোলনে মিরপুর ১০ ফ্লাই অভারের উপরে উঠে জাতীয় পতাকা উড়িয়েছিলেন বাঙলা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আজিজুল শেখ। জুলায়ের সেই পতাকা এবার প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চাই গুলিবিদ্ধ হওয়া সেই ছাত্রদল নেতা আজিজুর শেখ।

মোঃ আজিজুর শেখ সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক সদস্য। আজিজুর শেখ নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ৪নং নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের দেবী গ্রামের মোঃ রাজু শেখের ছেলে।

আজিজুর শেখ দাবি করেন জুলাই আন্দোলনের সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। আন্দোলনের সময় তার মাথায়, বুকে, পিঠে, কপালেসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ৩৬টি বুলেট লাগে। ১৯ জুলাই সে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় এবং দুদিন রিমান্ড শেষে ২১ জুলাই ছাড়া পায়। তবে আন্দোলনের পর জুলাই যোদ্ধার তালিকায় নাম না থাকা অথবা আলোচনায় না থাকা নিয়েও তার কোন আক্ষেপ নেই বলেও জানান তিনি।

গায়ে পড়ে আছে কলেজের টি-শার্ট হাতে ধরে আছে জীবনের স্টাডিং স্বপ্নটা এখনো কলেজের ক্লাস রুম কিন্তু সেই স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে ঢাকার রাস্তায় সিএনজি চালাচ্ছেন সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী সৎ ভাবে উপার্জন করে নিজের শিক্ষা জীবন চালিয়ে যাওয়া কে সবছে বড় পরিচয় মনে করেন নিজেকে জুলাই যোদ্ধা দাবি করা ছাত্রদল নেতা আজিজুর শেখ।

আজিজুর জানান এই পথ চলা সব সময় সহজ ছিলো না সিএনজি চালানোর কারণে বন্ধু কিংবা পরিচিত দের নানান প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে কিন্তু এই সব সমলোচনা কে গুরুত্বপূর্ণ না দিয়ে নিজের লক্ষ্য এগিয়ে চলেছেন তিনি পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই কর্ম জীবনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান বলেই চাকরি অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের আইয়ের পথ তৈরি করেছেন

এর আগে আগারগাঁও এলাকায় ফুটপাতে ছোট একটি ব্যাবসা করেছিলেন এই শিক্ষার্থী কিন্তু স্থানীয় চাঁদাবাজদের কারণে সেই ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ তার। আজিজুর দাবি করেন রাজনৈতিক পরিচয় দেওয়ার পরও দোকান রক্ষা করতে পারেননি শেষ পর্যন্ত ব্যবসা ছেড়ে জীবীকার নতুন পথ হিসেবে সিএনজি চালানো শুরু করেন।

পড়াশোনা পাশাপাশি সরকারি বাঙলা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এই শিক্ষার্থী এক সাথে এগিয়ে নিতে চান উপার্জন তার ভাষায় পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের স্বপ্ন পূরণ করাই এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।

আজকালের কন্ঠ/আর বি