কুবি ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে রম্য বিতর্ক | Daily AjKaler Kontho

কুবি ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে রম্য বিতর্ক


কুবি প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : জুন ২৩, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ন
কুবি ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে রম্য বিতর্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে ভিন্নমাত্রা দিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে ‘ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি নাকি স্পেন: কার হাতে উঠবে ট্রফি?’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত হয়েছে রম্য বিতর্ক। এতে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি ও স্পেনের সমর্থকেরা নিজ নিজ দলের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

সোমবার (২২ জুন) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ আয়োজন করা হয়। বিশ্বকাপকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ, সম্প্রীতি ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই ব্যতিক্রমী বিতর্কের আয়োজন করা হয়।

বিতর্কে আর্জেন্টিনার পক্ষে অংশ নেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাকসুদ নুর, ব্রাজিলের পক্ষে সাদিয়া নওশীন ঈশী, জার্মানির পক্ষে আসিফ ফেরদৌস জিদনী এবং স্পেনের পক্ষে তৌহিদুর রহমান সাকিব। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন কানিজ ফাতেমা রিমি ও ফাহিমা সুলতানা রাতুয়া।

আর্জেন্টিনা সমর্থক মাকসুদ নুর বলেন, “বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা রয়েছে, এ ধরনের আয়োজন সেটিকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। শুধু ফুটবল নয়, অন্যান্য বড় খেলাকেও ঘিরে এমন রম্য প্রতিযোগিতার আয়োজন হওয়া উচিত। এর মাধ্যমে পারস্পরিক হানাহানি বা বিভেদ ভুলে আমরা সুস্থ বিনোদন ও সুন্দর জীবনচর্চার সুযোগ পাই। সাংস্কৃতিক আয়োজন যত বাড়বে, ততই আমাদের মধ্যে ইতিবাচক উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং সুস্থ সংস্কৃতির প্রসার ঘটবে।”

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহমান আস সাদী বলেন, “সারা বিশ্বজুড়ে ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে যে উন্মাদনা চলছে, তারই একটি অংশ হিসেবে আমরা এই রম্য বিতর্কের আয়োজন করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল সমর্থকদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সুন্দর ও আনন্দঘনভাবে উপস্থাপন করা। খেলা মূলত বিনোদনের মাধ্যম, তাই সবাই যেন বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে নেয় এবং আনন্দ উপভোগ করতে পারে, সেটিই আমরা চেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “ডিবেটিং সোসাইটি বর্তমানে নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা দেখাতে চেয়েছি যে বিতর্ক শুধু প্রচলিত বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়; নতুন ও সৃজনশীল ধারার উপস্থাপনার মাধ্যমে বিতার্কিকদের শেখার সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। একই সঙ্গে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসারেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

আজকালের কন্ঠ/আর বি