সৈয়দপুর থানায় সেবা নিতে এসে চরম ভোগান্তি: অভিযোগ ভুক্তভোগীদের | Daily AjKaler Kontho

সৈয়দপুর থানায় সেবা নিতে এসে চরম ভোগান্তি: অভিযোগ ভুক্তভোগীদের


সোহেল রানা, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : মে ৯, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ন
সৈয়দপুর থানায় সেবা নিতে এসে চরম ভোগান্তি: অভিযোগ ভুক্তভোগীদের

নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। কর্মকর্তাদের অপেশাদার আচরণ এবং যথা সময়ে অফিসে উপস্থিত না হওয়ার কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

আজ বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, থানার ডিউটি অফিসার থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কামরার সামনে অপেক্ষা করছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতারা।

জিডি (সাধারণ ডায়েরি) কিংবা জরুরি অভিযোগ দিতে আসা ব্যক্তিদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে রাখার অভিযোগ নিত্যদিনের। ভুক্তভোগীদের দাবি, কর্মকর্তারা নিজেদের মর্জিমাফিক অফিস করছেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাদের আসনে পাওয়া যায় না, আবার পাওয়া গেলেও আইনি পরামর্শ বা সেবা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন তারা।

মাহি রেজা নামের এক সেবাগ্রহীতা জানান, “একটি সাধারণ জিডি করার জন্য আমি দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি। অফিসার ভেতরে বসে গল্প করছেন, কিন্তু আমাদের কাজ করে দিচ্ছেন না। কাজের কথা বললে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ডিউটি অফিসারের দায়িত্বে থাকা এসআই ফরহাদ। পুলিশের কাজ জনগণের সেবা করা হলেও এখানে এসে মনে হয় আমরা কোনো অপরাধ করেছি।

“উল্লেখ্য যে, এর আগেও সৈয়দপুর থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিজের খেয়ালখুশি মতো অফিস করার অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি গত বছরের ৩১ আগস্ট প্রশাসনিক কারণে তৎকালীন ওসি শাহা আলমকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। বর্তমানে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হলেও সেবার মান নিয়ে জনমনে ক্ষোভ কমেনি।এ বিষয়ে জেলা পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বারবার হুঁশিয়ারি দিলেও তৃণমূল পর্যায়ে এর প্রভাব পড়ছে না। ভুক্তভোগীরা বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি এবং থানায় সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার ও সেবার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা বলেন , ভুক্তভোগী হয়রানীর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি