
অদ্য ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ কালিয়ানী, সুলতানপুর, মাদরা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ঔষধ, শাড়ি ও চিংড়ি মাছ আটক করে।
কালিয়ানী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ৯/৪ এস হতে আনুমানিক ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন খৈতলা নামক স্থান হতে ১৭,৫০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি আটক করে। সুলতানপুর বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৭/১ এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন বড়ইবাগান নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩ এস এর ০৮ আরবি হতে আনুমানিক ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন রাজপুর নামক স্থান হতে ১,৪০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়া ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন ঝাউডাঙ্গা পাকা রাস্তা নামক স্থান হতে ৫০,৪০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি মাছ আটক করে।
আভিযানিক দল সর্বমোট=২,৭৭,৯০০/-(দুই লক্ষ সাতাত্তার হাজার নয়শত) টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।
চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :