
নড়াইলের লোহাগড়া ইউনিয়নের ৪টি গ্রামে চোরের উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে কালনা-লোহাগড়া-লাহুড়িয়া আঞ্চলিক সড়কের কাউড়িখোলা-কামঠানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
লোহাগড়া ইউনিয়নের ৪টি গ্রামবাসীর আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রায় দুইশত মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মো. রতন শেখ, ব্যবসায়ী মো. ইমদাদুল হক শিপন, মো. ইলিয়াস শেখ, মো. হোসেনুর মোল্যা, মো. হায়দার আলী, মো. ইনামুল শেখ, মো. আজমল হোসেন, কৃষ্ণ সরকার, তরুলতা সরকারসহ প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লোহাগড়া ইউনিয়নের মোচড়া গ্রামের মৃত সরোয়ার শেখের দু’ছেলে যথাক্রমে আবু তাহের (২৯) ও হিজবুল্লাহ সাকিব (২৭) মোচড়া, কাউড়িখোলা, কামঠানাসহ আশে-পাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চুরির সাথে জড়িত। সম্প্রতি এলাকার চিহ্নিত চোর হিজবুল্লাহ সাকিব কামঠানা গ্রামের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মানিক সরকারের বাড়িতে কৌশলে প্রবেশ করে চুরি করতে গেলে বাড়ির সদস্যরা চুরির ঘটনাটি টের পেয়ে গ্রামবাসীদের খবর দিলে গ্রামবাসী চোর হিজবুল্লাহ সাকিবকে ধরে লোহাগড়া থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করে।
এ ঘটনার পর চোর হিজবুল্লাহ সাকিবের মা জাহানারা বেগম গ্রামের ৫ জনের নাম উল্লেখ করে নড়াইল পুলিশ সুপার বরাবর একটি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে বক্তারা অভিযোগ করেন। বক্তারা আরও বলেন, তারা দুই ভাই বহুদিন ধরে নিজের গ্রামসহ অন্যান্য জায়গায় চুরি করে আসছে। চুরি করতে যেয়ে এর আগেও অনেকবার হাতেনাতে ধরা খেয়েছে। তা নিয়ে অনেকবার সালিশ বিচার হয়েছে। তবুও তারা ভাল হয়নি। এই দুই ভাইকে তার নিজের মা আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে এলাকার বড় চোর বানিয়েছে। কথায় আছে চোরের মায়ের বড় গলা। নড়াইলের পুলিশ সুপার ও লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তরা অবিলম্বে এই চিহ্নিত চোরদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :