মোবারকগঞ্জ চিনিকলে গুনগতমান সম্পন্ন বীজ, আখ উৎপাদন কৌশল ও ব্যবহার শীর্ষক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত | Daily AjKaler Kontho

মোবারকগঞ্জ চিনিকলে গুনগতমান সম্পন্ন বীজ, আখ উৎপাদন কৌশল ও ব্যবহার শীর্ষক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জুন ১৫, ২০২৫, ২:৫১ অপরাহ্ন
মোবারকগঞ্জ চিনিকলে গুনগতমান সম্পন্ন বীজ, আখ উৎপাদন কৌশল ও ব্যবহার শীর্ষক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মোঃ সোহাগ আলী, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকল প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সে কৃষকদের নিয়ে দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গুনগতমান সম্পন্ন বীজ আখ উৎপাদন কৌশল ও এর ব্যবহার শীর্ষক দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। রোববার সকালে মোবারকগঞ্জ সুগার মিল ট্রেনিং কমপ্লেক্সে কৃষক পর্যায়ে আখের রোগমুক্ত পরিচ্ছন্ন বীজ উৎপাদন ও বিস্তার (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ অনুুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদী আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে মিল এলাকার ৫০ জন কৃষক অংশগ্রহন করেন।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদীর মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহম্মেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোবারকগঞ্জ সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহম্মদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (রোগতত্ব বিভাগ) ড. মো. আনিসুর রহমান, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ) ড. কেএম রেজাউল করিম ও মোবারগঞ্জ সুগার মিলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) গৌতম কুমার মন্ডল। প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ইমাম হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদী এর মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, উৎপাদনের প্রথম শর্ত হলো ভালো বীজ। আপনি যতই জমিতে সার ওষুধ দেন যদি ভালো এবং সুস্থ্য বীজ না হয় তাহলে ভালো ফসল পাবেন না। মা সুস্থ্য না হলে সন্তান সুস্থ্য আশা করা যায় না। সুস্থ্য বীজ না হলে আপনারা আখ চাষে যতই ভালো ম্যানেজমেন্ট করেন না কেন আখের ভালো ফলন পাবেন না।

আপনারা অনেক সময় বলেন, রিকভারি ভালো হচ্ছে না। আমরা আখ হারভেস্টো পর যতটুকু রস পায় তা যদি মেইন সিস্টেমে ঠিকমত কাজে না লাগাতে পারি তাহলে রিকভারি কমে যাবে। আমরা যখন মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা করি তখন ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুগার পায় কিন্তু যখন মিলে আসে তখন ৪ থেকে ৬ শতাংশ পাওয়া যায় তাহলে গ্যাপটা কোথায়, এটা আমাদের দেখতে হবে। সুগারমিলগুলোর কারখানাগুলো অনেক পুরানো। মিলগুলো আধুনিকায়ন করতে হবে। পাশাপাশি বিকল্প উৎপাদনে যেতে হবে তাহলে সুগার মিলগুলোকে লোকসানে পড়তে হবে না বলে উল্লেখ করেন।