
মো: এমদাদ হোসেন (সন্দ্বীপ) :‘সন্দ্বীপের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমাতে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশে চালু করা হয়েছিল গুপ্তছড়া-বাঁশবাড়িয়া ফেরি সার্ভিস। শুরুর দিকে নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ধারণাও করেনি যে এই রুটটি লাভজনক হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তার চিত্র ভিন্ন পরিলক্ষিত হয়।
ফেরি “কপোতাক্ষ” এর মাস্টার সাইফুল ইসলাম ও ইঞ্জিন ইনচার্জ জাকির হোসেন সন্দ্বীপ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে বৈঠকে বলেন ,“আমরা হিসাব করে দেখেছি এই ফেরি সার্ভিসটি লাভজনক। নিয়মিত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ থেকে এটা স্পষ্ট।”
তবে এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে,অনেক যাত্রী ও যানবাহন ফেরিতে বিনা টিকিটে চলাচল করছে। ফলে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। যাত্রীদের টিকিট কেটে চলাচল নিশ্চিত করতে এবং যাত্রী চেকিং ব্যবস্থা জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্থানীয় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশেষ করে বাসযাত্রীদের মধ্যে অনেকেই “আমি এই বাসের যাত্রী” বলে চেকিং এড়িয়ে চলাচল করছেন। ফলে একটি লাভজনক সেবাও রাজস্ব হারাচ্ছে শুধুমাত্র সঠিক তদারকির অভাবে।
এই রুটটি শুধুমাত্র একটি পরিবহন সেবা নয়,এটি সন্দ্বীপবাসীর আবেগ ও যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। তাই এই সার্ভিসকে আরও কার্যকর ও রাজস্বসমৃদ্ধ করতে দ্রুত নজরদারি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
সঠিক ব্যবস্থাপনায় এই সার্ভিস হতে পারে সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য আয়ের উৎস এবং সন্দ্বীপবাসীর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পরিবহন মাধ্যম।
আপনার মতামত লিখুন :