
মো: নাসির খান (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি : জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার এমন উদ্যোগে খুশি পৌর বাসি । আর খালটি সচল হলে মশা-মাছির ও ডেঙ্গুর উপদ্রব থেকে মুক্তি মেলার পাশাপাশি কৃষক্ষেত্রে সুফল পাবে স্থানীয় কৃষকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পদ্মার শাখা নদী কীর্তিনাশা থেকে শুরু হয়ে ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে রাজগঞ্জ খালটি। একসময় পানি প্রবাহ সচল থাকায় খালটি দিয়ে চলাচল করতো বিভিন্ন নৌযান। তবে দীর্ঘ ১ যুগ ধরে দখল আর দূষণে অস্তিত্ব হারিয়েছে প্রবাহমান খালটি।
এ ছাড়া এ খালটি দক্ষিণ অঞ্চলের হাজার হাজার একর জমির ব্লকের সেচ দেওয়া হয়। খালটির বিভিন্ন অংশে দোকানপাট ও বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনা ফেলায় পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে ছড়াচ্ছে তীব্র দূর্গন্ধ। এতে মশা মাছিরও ডেঙ্গু উৎপাত বেড়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পৌরবাসী। পাশাপাশি শহরের পানি খালে নামতে না পেরে বর্ষাকালে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।
রবিবার বিবার সকালে খালটির প্রবাহ ফেরানোর কাজ শুরু করে জেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে খুশি পৌরবাসী। দ্রুত খালটি সচল করে পূর্বের অবস্থায় ফিরে গেলে খুশি পৌরবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দা।
পৌরসভার সাবেক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুস সালাম বেপারী গণমাধ্যমকে বলেন , প্রশাসন একটি ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। পলিথিন জমে খালটি এখন দূষণে পরিপূর্ণ। পানি সরতে না পারায় তীব্র দুর্গন্ধে মশা মাছির উপদ্রব দেখা দিয়েছে। খালটি সচল হলে পানি প্রবাহ শুরু হবে এবং পরিবেশটি সুন্দর হয়ে উঠবে।
নাদিম নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা গণমাধ্যমকে বলেন , এই খাল দিয়ে এক সময় নৌকা চলাচল করতো। এখন দূষণের কারণে মশা মাছির উপদ্রব বেড়েছে এবং ডেঙ্গুর মতো বিভিন্ন রোগ ছড়াচ্ছে।
প্রশাসনে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা চাই দ্রুত খালটি সচল করা হোক খালটি সচল করার সময়ে সবধরনের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করার কথা জানিয়েছেন শরীয়তপুর পৌরসভা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, শরীয়তপুর পৌরসভায় যে খালগুলো প্রবাহমান ছিলো বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় বন্ধ হয়ে গেছে সেগুলো পুনরায় আমরা সচল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
আজ থেকে রাজগঞ্জ খালটি খনন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে যা কীর্তিনাশা নদীতে কানেক্ট করবে। খালটি সচল করতে গিয়ে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা পড়লে তাও অপসারণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :