শরীয়তপুর নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা হয়েছে | Daily AjKaler Kontho

শরীয়তপুর নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা হয়েছে


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৫, ২০২৪, ১:৫২ অপরাহ্ন
শরীয়তপুর নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা হয়েছে

মো: নাসির খান (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি : শরীয়তপুর জেলায় নবযোগদানকৃত জেলাপ্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন মহোদয়ের সাথে বীরমুক্তিযোদ্ধা, সুধীজন ও নাগরিক সমাজের মতবিনিময়।

৪ নভেম্বার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মত বিনিময় সভায় আগত সবার পরিচয় তুলে ধরেন নবাগত জেলা প্রশাসকের কাছে। সেই সাথে উপস্থিত নেতৃবৃন্দরা জেলায় বিভিন্ন অনিয়ম ঘুষ-দূর্নীতি,খাল দখল, ড্রেজার দিয়ে জলাশয় ভরাট, কৃষি জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রি সহ নানান অনিয়মের কথা নবগত জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।

এসময় নবযোগদানকৃত জেলাপ্রশাসক আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমি গতকাল যোগদান করেছি। বিসিএস ২৭তম ব্যচের একজন সদস্য, নিজ জেলা ময়মনসিংহ। এখানে আজকে আমার ২য় দিন। আমার খুব ভালো লাগছে যে,স্বল্প সময়ের নোটিশে আপনারা সবাই সমবেত হয়েছেন।

মূলত আজকে এখানে সবাই বসেছি পারস্পরিক একটা পরিচয়ের জন্য। আমি একটা জিনিস বিশ্বাস করি। সরকার আমাকে যে কাজের জন্য পাঠিয়েছে। আমি বা আমার টিম কখনোই সেই কাজটা ভালো ভাবে সম্পাদন করতে পারবো না, আপনাদের সর্বাত্মক সহোযোগিতা ছাড়া। আমি নবাগত হিসাবে আপনাদের কাছ থেকে সেই সহোযোগিতা প্রত্যাশা করছি।

তিনি আরও বলেন, আমার ধারণা ছিলো না, শরীয়তপুরের রাস্তা-ঘাট এতো খারাপ হবে। আমি শুনেছি
যে,শরীয়তপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থাটা একটু নাজুক। কিন্তু আমি আসার পথে দেখলাম এটা-বেশ নাজুক। যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকার ফলে তার সাথে এসোসিয়েট আরও কিছু বিষয় নাজুক হয়ে যায়। একটা জায়গার যোগাযোগ ব্যবস্থা যদি খুব একটা উন্নত না থাকে।

তাহলে তার অবকাঠামো উন্নয়ন ভেতর গত ভাবে হয় না। বিনিয়োগ হয় না। বিনিয়োগ না হলে কর্ম সংস্থান ও ঐভাবে হয় না। কর্মসংস্থান না হলে জীবন মানের উন্নয়ন হয় না। একটার সাথে আরেকটা ওত প্রোতভাবে জুড়ে থাকে।

এসময় জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন,সবার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা যার-যার অবস্থান থেকে শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন সমস্যা ও একই সাথে সমস্যা সমাধানের উপায়। এবং জেলা প্রশাসকের কাছে প্রত্যাশা কি? সেই জিনিস গুলো শুনতে এসেছি। আমরা সমবেত হয়েছি এই করণেই।

যাতে করে আমরা সেই সমস্য গুলো সমাধান করতে পারি। আমরা যাতে একজোটে কাজ করতে পারি। আমরা একটা উন্নত শরীয়তপুর দেখতে চাই। শুধু যোগাযোগের ক্ষেত্রে না তাছাড়া আরও যে সকল বিষয় রয়েছে মানুষের জীবণ ঘনিষ্ঠ। সেই সব জীবণ ঘনিষ্ঠ বিষয় গুলো নিয়ে আমরা নিবিড় ভাবে কাজ করতে চাই।