নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : রাজধানীর গাবতলী সংলগ্ন বাগবাড়ি ক্লাব মসজিদের খালি জায়গা দখল করতে রাতের আধারে প্রভাব খাটিয়ে স্থাপনা তৈরির অভিযোগ উঠেছে মাসুদ নামের স্থানীয় একজনের বিরুদ্ধে। যানা যায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা শর্তেও তিনি এই অপকর্ম করে যাচ্ছেন। তাই স্থানীয় সাধারণ মুসুল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে ।
জানাগেছে, দীর্ঘদিনের পুরাতন এই মসজিদটিতে এতোদিন যাবত কোন ধরনের সমস্যা না হলেও হঠাৎ করেই জমি নিজের বলে দাবি করেন স্থানীয় পাতি নেতা মাসুদ। তবে মসজিদ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের দাবি মূলত সরকারি খাসজমিতে দীর্ঘদিন আগে তৈরী করা হয়েছে মসজিদটি। যার পর্যাপ্ত কাগজ পত্র রয়েছে মসজিদ সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটির কাছে। মসজিদের খালি জায়গায় দুটি দোকানও রয়েছে। যেটার ভাড়া তুলে মূলত মসজিদে উন্নয়ন কাজে ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে সেটিরও দখল নিয়ে নিজের দাবি করে ভাড়া তুলে নিচ্ছেন স্থানীয় এই মাসুদ। এছাড়াও খালি জায়গার দখল নিতে রাতের আধারে ইট সিমেন্ট দিয়ে স্থায়ীভাবে দেয়াল তৈরী করেছেন তিনি। আর তার এই কাজে সম্পূর্ণ ভাবে দাড়িয়ে থেকে শেল্টার দিয়েছেন দারুসসালাম থানা পুলিশের সোর্স ইয়াছিন । অভিযোগ উঠেছে তার সঙ্গে অর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এই অপকর্ম করছে মাসুদ। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কেউ কোন ধরনের কথা বললে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখান মাসুদ। ফলে সাহস করে কেউই সরাসরি প্রতিবাদ করতেও সাহস দেখান না।
বাগবাড়ি ক্লাব মসজিদের ইমাম হাজী মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, দীর্ঘদিন আগে সরকারি খাঁস জমিতে মসজিদটি তৈরি করা হয়েছে। এর সব ধরনের কাগজপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। এতোদিন কোন ঝামেলা না থাকলেও হঠাৎ করেই স্থানীয় মাসুদ নামের এক যুবক এই জায়গার দাবি করে। কিন্তু এটা তার জমি না। আমরা এর প্রতিবাদ করলে সে ভূয়া দলিল তৈরী করে এবং আমার নামে থানায় একটা মিথ্যা মামলাও করে। পরে রাতের আধারে দারুসসালাম থানার পুলিশের সোর্স ইয়াছিনকে দাঁড় করিয়ে রেখে দেয়াল তৈরী করে। তাকে দিয়ে আমাদের হুমকিও দিয়েছে।
তিনি বলেন, মসজিদের সামনে দুইটা দোকানঘর করে ভাড়া দেয়া ছিল। যে ভাড়া তুলে মসজিদের উন্নয়ন কাজে খরচ করা হতো। কিন্তু ভূয়া দলিল বানিয়ে সে দোকান দুটিও নিজের দখলে নিয়েছে। সেখান৷ থেকে ভাড়া এখন সে নিজে তুলে নিচ্ছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।