নেত্রকোনার প্রতিনিধি : প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নেত্রকোনার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের উপর দেশীয় অস্ত্র,রামদা,বল্লম দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
পরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান মদন থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ গিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রণ আনেন।
এতে মারুফ(১৪) নামে নবম শ্রেণীর এক ছাত্র আহত হলে তার স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বৃহস্পতিবার বিকালেগোবিন্দশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।
বিদ্যালয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,গোবিন্দশ্রী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ইলিয়াস(২০) নবম শ্রেণী এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে।ওই ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়
এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানা যায়।
এসময় তার সহযোগী হিসেবে ছিলে, আলম মিয়ার ছেলে রাব্বি(১৮), নজরুল ইসলামের ছেলে সায়ীম(১৯), রাজ্জাক মিয়ার ছেলে রাকিব(২০), অলি মিয়ার ছেলে এনি(১৭), সামসু মিয়ার ছেলে দিদার(২০)।
এ বিষয়ে ইলিয়াস ও তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কারোর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তবে এ বিষয়ে এনির বাবা অলি মিয়া জানান, স্কুলে মারামারি সময় আমার ছেলে ফিরাইতে গিয়েছিল কিন্তু এটার সাথে সে জড়িত না।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান (ভারপ্রাপ্ত)জানান,ইলিয়াস নামে এক বখাটে ছেলে প্রায় সময় আমার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় রাস্তায় পেয়ে উত্যক্ত,বিরক্ত করতো এবং তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।
আজ সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে ইলিয়াস ও তার সহযোগীরা মিলে। আমি এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করবো।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিমন মিয়া( ৫০)বলেন, আজ হঠাৎ করে ইলিয়াস ও তার দলবল মিলে অতর্কিতভাবে ছাত্রছাত্রীদের উপর হামলা করে,এ ঘটনায় মারুফ নামে নবম শ্রেণীর এক ছাত্র আহত হয়েছে।এতে বিদ্যালয়ের মানসম্মান নষ্ট হওয়ার কারণে আমরা ইলিয়াস ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করবো।
এ ঘটনায় মদন থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) উজ্জ্বল কান্তি সরকার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল, এ ঘটনা নিষ্পত্তি করার জন্য প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব নিযেছেন।