Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৪:৪৭ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪ , ১:৫৪ অপরাহ্ণ

গৌরনদীতে রাত না হলে যে হাটে বেচা বিক্রি শুরু হয় না

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

গৌরনদী প্রতিনিধি : দিনের আলো গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই হাটে আসেন ক্রেতা-বিক্রেতা। প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ টাকা থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মত পান বেচা বিক্রি হয় এই হাটে। সন্ধা থেকে গভির রাত পর্যন্ত চলতে থাকে বেচা বিক্রি। বলছি বরিশাল জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে একটি হাটের কথা। ঢাকা-বরিশাল মহা সড়ক সংলগ্ন গৌরনদী উপজেলার পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড টরকী নীলখোলা নামক স্থানের কথা। রাতের আধারে জমে উঠে এই হাটে পান বিক্রির বেচা কেনা। এই হাটকে ঘিড়ে গড়ে উঠেছে একাধীক পানের আড়ৎ। এর পাশা পাশি বসে কাঁচা বাজারের হাট। মাছ, মাংস, শাক, সবজিসহ নানা পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানীরা।

তবে এই পান নিয়ে রয়েছে অনেক গানের কথা। যেমন একটি গানও রয়েছ “পান খাইয়া ঠোঁট লাল করিলাম বন্ধুর খবর পাইলাম না” “মহেশখালীর পান এর খিলি তারে বানাই খাওইতাম” খুব জনপ্রিয় এই গান কিংবা নানা ছন্দের মধ্যে দেশের জনপ্রিয় একটি খাবারের নাম রয়েছে সেটা হলো অতি পরিচিত প্রচলিত খাবার পান। আর এই পান নিয়ে আছে নানা ছন্দ আছে জনপ্রিয় গান। এই পানের হাটটি প্রায় ৬/৭ বছর যাবত ধরে চলছে বেচা কিনা। এখানে প্রায় দশটি পানের আড়ৎ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় কেত্রা বিক্রেতারা ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার পান বেচা বিক্রি করেন এই টরকী নীলখোলা পানে হাটে।

সোনার মদীনা পান আড়তের মালিক মোঃ ছলেমান হাওলাদার জানান এখানে আগে সপ্তাহে ৫দিন পানের হাট বসত। এখন প্রতিদিনই পান নিয়ে আসেন পান চাষিরা। তবে এখানে প্রতিদিন যে কয়টি পানের আড়ৎ বসে প্রায় ৪০ থেখে ৫০ লাখ টাকার পান বিক্রি করেন আড়ৎ গুলো। এখানে প্রায় ১০টির মত পানের আড়ৎ রয়েছে এর মধ্যে ভাই ভাই পান আড়ৎ, সোনার মদিনা পানের আড়ৎ, এলাহী ভরসা পানের আড়ৎ, নিউ সোনার বাংলা পানের আড়ৎ, শাপলা পানের আড়ৎ, টরকী পান ভান্ডার, জোনাকী পানের আড়ৎ ,আজমিরী পানের আড়ৎ।

নিউ সোনার বাংলা পানের আড়তের পরিচালক আঃ রাজ্জাক হাওলাদার জানান এই হাটের পান চলে যায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় এবং অন্য হাট-বাজারে এর মধ্যে মস্তফাপুর, টেকের হাট, সিলেট, ঢাকা, যশোর, চট্টগ্রাম, নোয়া খালি, চাদঁপুরসহ বিভিন্নজেলায়। তবে শীত মৌসুমে পান লতা থেকে পড়ে যাওয়া চাষিরা বেশি লাভবান এখন একটু কম হচ্ছেন।

পান চাষি মস্তফা মুন্সী জানান পানের বরজ থেকে চাষিরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পানের লতা থেকে পাঙ্গা হয়। পরে পান গুছিয়ে তা বাজারের বিক্রি করতে আসতে আসতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। এজন্যেই পানের ফরিয়া বেপারী বা পাইকার রাতেই পান কিনতে আসেন।

প্রিন্ট করুন