বাউফল প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ওমর ফারুক সৌমিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদি বাজারে স্থাণীয় ব্যবসায়ী ফিরোজের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জের ধরে কতিপয় যুবকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার সঙ্গে নানান কল্পকাহিনী তৈরি করে ছাত্রলীগ নেতা সৌমিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়েছে। সৌমিকের ব্যক্তি ইমেজ নষ্ট করার জন্য কতিপয় কাউয়া আওয়ামীলীগ এই অপচেষ্টা শুরু করেছে। এর আগে একই ষড়যন্ত্রকারিরা সৌমিকের বাবা নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুকের উপর হামলা করে তার চোখ নষ্ট করে দিয়েছে। তারাই এখন সৌমিককে নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে দাবী করেন স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
নাজিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম রাকিব বলেন, দীর্ঘদিন পরে বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সৌমিক স্থানীয় এমপি আসম ফিরোজের কর্মী।
তাই বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল ও তার সমর্থকরা।
সৌমিকের গায়ে কাদা লাগানোর জন্য তারা তৎপরতা শুরু করেছে। সৌমিক যেন কোনোভাবে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক না হতে পারেন তার অপচেষ্টা শুরু করেছেন। যারা এমন নোংরা কাজের সঙ্গে জড়িত তারা হাইব্রিড ও কাউয়া আওয়ামীলীগ হিসেবে পরিচিত। মূল ধারার আওয়ামীলীগের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
রাকিব বলেন, কোনো ভাবেই ষড়যন্ত্র করে সৌমিককে দাবিয়ে রাখা যাবে না। সৌমিক একজন ত্যাগী ছাত্রলীগ কর্মী রাজনৈতিকভাবে সৌমিকের পরিবার প্রতিষ্ঠিত। এ প্রসঙ্গে ওমর ফারুক সৌমিক বলেন, আমাকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে ক্যু হচ্ছে
আমার ভাবমূর্তী নষ্ট যারা করছে তারা কোনোভাবেই সফলকাম হবে না। আমি ছাত্রলীগের পাশে আছি আগামীতে থাকবো।