Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১:১৭ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪ , ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : বাঙালির জীবনে শোক, সাহস, বেদনা আর গৌরবের অম্লান স্মৃতি নিয়ে ফিরে এলো অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। শ্রদ্ধার ফুলে ফুলে ভরে গেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদি।

বিভিন্ন দল, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড, গ্রামীণ ব্যাংক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মাহফুজুল ইসলাম, ভারতের শান্তিপুর থেকে ওপারের বাঙালিরা, বাংলাদেশ রেলওয়ে, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অপেক্ষমাণ সারিতে আরও অনেক দল এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ রয়েছেন।

পরে মন্ত্রিসভার সদস্য ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু। তাদের পর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন৷

এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। রাষ্ট্রপতির পরই প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তারা ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে তিন বাহিনীর প্রধানেরা, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ওই এলাকা ত্যাগ করলে সর্বস্তরের জনগণের জন্য শহীদ মিনার খুলে দেওয়া হয়।

 

 

প্রিন্ট করুন