Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ , ২:৫৬ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জানুয়ারি ১১, ২০২৪ , ৫:৪৫ অপরাহ্ণ

নিরাপত্তা প্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর একটি কারখানার ভেতর বালুর নিচ থেকে ফেরদৌস (১৭) নামে এক নিরাপত্তা প্রহরীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মো. মামুন হোসেন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফেরদৌস ও মামুন দুজনই আর. কে টেক্সটাইল নামে ওই কারখানার কর্মী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শাহজাদপুর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামান।কারখানার রড চুরি করতে দেখে ফেলার কারণেই নিরাপত্তা প্রহরী ফেরদৌসকে প্রাণ দিতে হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তিনি।

নিহত নিরাপত্তা প্রহরী মো. ফেরদৌস (১৭) শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা মো. আক্কাস আলীর ছেলে ও আর. কে টেক্সটাইলের নিরাপত্তা প্রহরী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অপরদিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. মামুন হোসেন (৩০) উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের ঘোড়শাল গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে ও টেক্সটাইলের চাকুরিচ্যুত শ্রমিক।

গ্রেপ্তার মামুন হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে জানিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামান লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ফেরদৌসের হত্যাকারী মামুন একজন কাপড়ের প্রিন্ট ডিজাইনার। ২০২০ সালে আর. কে টেক্সটাইল মিলে কাপড়ের প্রিন্ট ডিজাইনার হিসেবে যোগদান করেন তিনি। একই জায়গায় চাকরি করার সুবাদে কারখানার নিরাপত্তা প্রহরী ফেরদৌসের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল তার। কারখানা থেকে মাঝেমধ্যেই মামুন লোহার রড চুরি করতেন। প্রায় ৪-৫ মাস আগে রড চুরির সময় মামুনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে ফেরদৌস। এতে মামুনের চাকরি চলে যায় এবং ফেরদৌসের ওপর ক্ষোভ সৃষ্টি হয় তার।

এরপর মামুন ঢাকা গিয়ে একটি কন্সট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ শুরু করে। এরই একপর্যায়ে গত ৪ জানুয়ারি সকালে মামুন ঢাকা থেকে শাহজাদপুরে এসে ফেরদৌসের সঙ্গে দেখা করে আগের ঘটনার জন্য মাফ চান এবং তার সঙ্গে রাতে কারখানার মধ্যে থাকতে চান। ফেরদৌস সরল বিশ্বাসে তাকে থাকতে দেয়।

 

 

প্রিন্ট করুন