আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ও নোবেল বিজয়ী ড, মুহাম্মদ ইউনূসকে ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মনোভাব জানতে চান একজস সাংবাদিক।
জানা যায়, বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবং নির্বাচন পরবর্তী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে সে সম্পর্কে আগে থেকে কিছু বলা হবে না।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় সময় বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এই কথা বলা হয়।
এতে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিষয়টি উঠে এসেছে।
ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কারাদণ্ডের বিষয়ে জানতে চান।
তিনি বলেন, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম প্রাপ্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে নববর্ষের প্রথম দিনে বাংলাদেশের শ্রম আদালত যে কারাদণ্ড দিয়েছে সে বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানতে চাচ্ছি। বাংলাদেশে আইনের শাসন এবং বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা- এই দুই ক্ষেত্রে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ যে পর্যায়ে এসে ঠেকেছে সে বিষয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টের উপলব্ধি কী? বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে এবং অসংখ্য বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী, গণমাধ্যম এবং মানবাধিকার কর্মীরা একই ধরনের মামলায় অনেকটা একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন, বিশেষে অনেকের ক্ষেত্রে এই মাত্রাটা আরো মারাত্মক।
পরে এই সাংবাদিক বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, ‘চলতি সপ্তাহের শেষেই বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে নিজ দল থেকে ডামি প্রার্থী দাঁড় করাতে প্রকাশ্য নির্দেশনা দিয়েছেন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়েছিল তা উপেক্ষা করা হয়েছে।