Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৯:১১ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ডিসেম্বর ১০, ২০২৩ , ৩:৪৫ অপরাহ্ণ

এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : গাজীপুরের শ্রীপুরের বাজারে এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার খবর প্রকাশের পর থেকে এক লাফে বেড়ে গেছে এই দাম।

গতকাল শনিবার সকালের দিকে সরেজমিন বাজারে গিয়ে জানা যায়, রাতের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকায়। আর ভারতীয়টার দামও দুইশ’ ছুঁয়েছে। পেঁয়াজের বাজারের এমন অস্থিতিশীলতায় ক্রেতারা দিশেহারা।

গত শুক্রবার খুচরায় ১২০-১৩০ টাকায়ও দেশি পেঁয়াজ মিললেও রাত গড়াতেই তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০-২৩০ টাকায়। আর ১০২-১০৩ টাকা কেজি দরের ভারতীয় পেঁয়াজ কিনতে ক্রেতাদের এখন গুনতে হচ্ছে দুইশ’ টাকা। এদিকে দাম বাড়ার খবরে প্রতি মুহূর্তে বাজারে কমছে পেঁয়াজ; পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দাম। অসাধু ব্যবসায়ীরা গুদামে পেঁয়াজ রেখে বেশি দাম হাঁকাচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

কিছুদিন পরপরই নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির; মোটা টাকা চলে যাচ্ছে মধ্যবিত্তের পকেট থেকে। ফের পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো রীতিমতো দিশাহীন।’

সিরাজ উদ্দিন নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘হুটহাট করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ালেও প্রশাসন নীরবতা পালন করে। আমরা খেটে-খাওয়া মানুষের সংসার চালাতে জীবন শেষ।’

মাওনা আড়তদার ও শ্রীপুরের কিছু ব্যবসায়ী ঘরে মাল মজুত করে পিঁয়াজের দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ পার্শ্ববর্তী দোকানিদের।

বিষয়টি অস্বীকার করে ওইসব ব্যবাসয়ী বলছেন, মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে সম্পূর্ণরুপে উঠলে কমতে পারে দাম। আর ফেব্রুয়ারিতে নতুন পেঁয়াজের চাষ শুরু হলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বাজারে। আমিনুল ইসলাম নামের এক দোকানি বলেন, ‘আমাদের আড়ত থেকে বেশি দামে কিনে আনতে হয় বিধায় বেশি দামে বিক্রি করি। সেখানে দাম কমলে আমরাও কম দামে বিক্রি করব।’

বাজার মনিটরিং বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুন যায়যায়দিনকে বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) রাত থেকেই পেঁয়াজের বাজারে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়েছে। আমরা কাজ করছি। বাজারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আজকেও অভিযান চলবে।

 

প্রিন্ট করুন