নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজধানীর শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে কর্মরত অফিস সহায়ক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জন করা অর্থ দিয়ে কোটি টাকার সম্পদ, নামে বেনামে বহুতল ভবন নির্মাণ, ১০ কাঠার প্লট, ফ্ল্যাট কিনেছেন বলে অভিযোগ মিলেছে।
গত ২৮ নভেম্বর মোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি একটি মানবাধিকার সংস্থার প্যাডে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পরবর্তীতে মাননীয় আইনমন্ত্রী, মাননীয় আইন সচিব ও ঢাকা জেলা সাব রেজিষ্ট্রার বরাবরেও লিখিত অভিযোগ করা হয় তাজুলের বিরুদ্ধে। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, শ্যামপুর-সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে কর্মরত অফিস সহায়ক তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কথা মত কাজ না করলে নানা জটিলতা তৈরি করে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও পিয়ন তাজুল ইসলাম আছেন বহাল তবিয়তে।
শুধু সেবা গ্রহীতারা নয় খোদ অফিসের সহকর্মীরা কথা মত কাজ না করলে কর্মস্থল থেকে বিতাড়িত হন। কদমতলী থানা এলাকার মেরাজ নগরে ১২ তলা একটি ভবন চারজন অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে গড়ে তুলছেন, ডেমরা থানার ৭০ নং ওয়ার্ড মস্তমাঝি এলাকায় রয়েছে ১০ কাঠা জমি।
এ বিষয়ে শ্যামপুর সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ শাহিদুর রহমান এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি একটা তদন্ত দিয়েছে আমাকে কিন্তু আমি এখনো চিঠিটি পাইনি। তাই আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।
পিয়ন পদে চাকরি করে তাজুল অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দুর্নীতির মাধ্যমে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। ঢাকা শহরে রয়েছে তার একাধিক বাড়ি এমন বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম প্রতিদিন খবরকে জানান, আমি গত ২০২৩ সালের মার্চ মাসে এ অফিসে যোগদান করেছি, আমার কোথাও কোন সম্পদ নেই।