নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ম.ই মামুন বলেন, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের একমাত্র নেত্রী যিনি প্রতিবার সময় মত তার দলীয় সাংগঠনিক কাউন্সিলকে তিনি সম্পন্ন করে থাকেন।
বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের এমন উদাহরণ নেই, তারই ধারাবাহিকতায় কেরানীগঞ্জের মাটি মানুষের নেতা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর নেতৃত্বে করানীগঞ্জ সাংগঠনিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে এই কেরানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের দুর্গ ছিল এবং জননেতা নসরুল হামিদ বিপু ক্ষমতায় আসার পর সেই দুর্গ কে আরো বেশি শক্তিশালী করেছেন। কেরানীগঞ্জে ওয়ার্ড,থানা এবং ইউনিয়ন প্রত্যেকটি পর্যায়ে নিয়মিতভাবে, নিয়মতান্ত্রিকভাবে, সাংগঠনিকভাবে সম্মেলনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
ম.ই মামুন বলেন, বিরোধী দল হিসেবে তাদের কে আমরা সম্মান করি কিন্তু তাদের কোন কথা বা মতামত কে আমরা আসলে গুরুত্ব দেইনা। কারণ বিএনপির কথায় আমরা রাজনীতি করি না, আমরা রাজনীতি করি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে, পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম আন্ডারপাস নির্মাণ হচ্ছে, কর্নফুলি নদীর তলদেশ দিয়ে রাস্তা তৈরি হচ্ছে,আজকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হচ্ছে,যে বাংলাদেশ আজকে আলোকিত বাংলাদেশ, সমগ্র বাংলাদেশ এক সময় অন্ধকার বাংলাদেশ ছিল, সেই বাংলাদেশকে আলোকিত করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জননেতা নসরুল হামিদ বিপু।
মামুন বলেন, আজকে বিএনপি যেই কথা বলে তার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। আর এই বিচার-বিশ্লেষণ আমি জনগণের হাতে তুলে দিতে চাই। আজকে যে কেরানীগঞ্জ সেই কেরানীগঞ্জ জিঞ্জিরাকে এক সময় মানুষ মনে করত একটা সন্ত্রাসের রাজত্ব। বিএনপি’র সময় অর্থাৎ জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই বিএনপি’র মাধ্যমে কেরানীগঞ্জের শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হামলা মামলা দেয়া হয়েছে। চাঁদাবাজের স্বর্গরাজ্য তৈরি করা হয়েছিল। ব্যাবসায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াত। যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবণতি হয়েছিল সেই জায়গায় কেরানীগঞ্জে এখন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এলাকায় পরিণত হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা সার্বিকভাবে প্রস্তুত রয়েছি।
মামুন বলেন আরো বলেন, আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। যেখানে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত না সেখানে এখন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি সবক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের পথ সুগম হয়েছে। মাত্র আধাঘণ্টায় মাওয়া, ৩ ঘণ্টায় বরিশাল, আড়াই ঘণ্টায় গোপালগঞ্জ যাওয়া যায়। এলিভেটেড এক্সপ্রেস, বঙ্গবন্ধু (কর্ণফুলী) টানেল, মেট্রোরেল- এগুলো এই সরকারের কাজের সুফল।
এ কারণে প্রস্তুত রয়েছি যে আমরা জনগণের সকল কাজগুলো শতভাগ সম্পন্ন করতে পেরেছি। কেরানীগঞ্জে আজকে সমন্বিত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, রাস্তা ঘাট অবকাঠামো শিল্প বাণিজ্য সব জায়গায়। বিএনপি’র আমল এবং বর্তমান সময় বিচার-বিশ্লেষণ করলেই তা সহজেই বোঝা যাবে।