Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১:৫১ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৩ , ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ

আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে নৌকা কত শক্তিশালী : নসরুল হামিদ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

নিজস্ব প্রতিনিধি : “শেখ হাসিনা এখন যেই দেশে যায় সে দেশ সম্মানের সাথে কথা বলে। সে শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নয় বিশ্ব নেত্রী। আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে নৌকা কত শক্তিশালী” বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিএনপি যতই বিদেশিদের কাছে নালিশ করুক আর ধর্না দিক। যদি জনপ্রিয়তা না থাকে, মাঠে যদি না থাকে, জনগণ কখনও তাদের পক্ষে রায় দেবে না। ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না, কোনো বাধাই টিকবে না।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিউয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নসরুল হামিদ বলেন, বিএনপি আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস করছে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তবে এই আতঙ্ক তৈরি করে লাভ হবে না। জনগণের রায় পেতে হলে জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলতে হবে।

কেরানীগঞ্জের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে নসরুল হামিদ বলেন, কেরানীগঞ্জ এক সময় সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। ঢাকার খুব কাছে হওয়ার পরেও কেরানীগঞ্জে বিএনপি-জামায়াত জোট, সামরিক স্বৈরাচার সরকার কোন উন্নয়ন করেনি। একারণে কেরানীগঞ্জকে বলা হতো বাতির নিচে অন্ধকার।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে বিএনপি এমন কোনো কাজ করে নাই যার জন্য মানুষ তাদের ভোট দিবে। বিএনপি কখনও মানুষের পাশে ছিল না। করোনার সময়, কোনো দুর্যোগে, বিপদে-আপদে পাশে ছিল না। সবসময় জনগণের ধ্বংসের রাজনীতি করেছে।

তিনি বলেন, বিগত সরকারগুলো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিল। মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা ছিল না। বিগত সরকারগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছিল এলাকার নিত্যদিনের সঙ্গী। মানুষের সাধারণ চলাচল, নিরাপত্তা কঠিন হয়ে পড়েছিল, স্থবির হয়ে পড়েছিল ব্যবসা-বাণিজ্য।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫ বছরে কেরানীগঞ্জের কেউ বলতে পারবে না এখানে কোন রাজনৈতিক সহিংসতা হয়েছে, সন্ত্রাস হয়েছে বা মিথ্যা মামলা হয়েছে। রাজনৈতিক সহঅবস্থান বা এলাকার শান্তি-শৃংঙ্খলা বজায় রাখতে করণীয় সব কিছুই করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমানউল্লাহ আমানের সময় এ এলাকায় মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা ছিল সাধারণ ব্যাপার। আমাদের নেতা-কর্মীদের উপর প্রায় সাড়ে ৪শ’র বেশি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা ছিল। হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা ছিল সেই মামলার আসামি। আমরা সে অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা করছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে দিনবদলের ইশতেহার দিয়ে ২০০৯ সালে সরকার গঠন করলে সেখান থেকে আমরা পরিত্রাণ পাই।

নসরুল হামিদ বলেন, একটা কথা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, মানুষের মধ্যে যে ভয়, আতঙ্ক ও সংশয় ছিল সেগুলো দূর করেছি। হারানো সাহস ও মনোবল ফিরিয়ে এনেছি। রাজনৈতিকভাবে কোন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেইনি। সকল মানুষের সাহস ও মনোবল ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করেছি।

শুভাড্যা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী বাশের উদ্দীনের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ। প্রধান বক্তা ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ম. ই. মামুন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের নেতারা।

প্রিন্ট করুন