মোঃ কবির হোসেনঃ “পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ 2020 সালের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ আনোয়ার হোসেন ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিশনাল আইজি (এসবি), গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কোনাবাড়ি ও কাশিমপুর জোনের সিনিঃ সহকারি পুলিশ কমিশনার শরিফ হেলালের সার্বিক সহযোগিতায় দারিদ্রের নির্মম পরিহাসের বিক্রিত সন্তান মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়ে মানব কুলে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
জানা যায় গত ২১ শে এপ্রিল কোনাবাড়ি সেন্ট্রাল হাসপাতাল সিজারের মাধ্যমে একটি ফুটফুটে সন্তানের জন্মদেন কেয়া খাতুন নামের এক গর্ভধারিনী মা।
দারিদ্র্যের নির্মম পরিহাসের কাছে হেরে যায় কেয়া খাতুন শরীফ দম্পতি।সন্তান বিক্রি করার সিদ্ধান্ত হয়।
নজরে আসে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্মকর্তাদের।
নবজাতকের পিতা শরীফ হোসেন কাশিমপুর থানার এনায়েত পুরের বাসিন্দা।শরিফ জানান দীর্ঘ ১১দিন হাসপাতালে থাকায় হাসপাতালে সিজার করতে যে বিল আসে তাহা আমার পরিশোধের নাগালের বাইরে চলে যায়। একপর্যায়ে দিশেহারা হয়ে ভেবে চিনতে পারছিলাম না কি করবো। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম সন্তানকে বিক্রি করে হাসপাতালে কিছু বিল পরিশোধ করব। নবজাতক শিশুকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত করি।
এরইমধ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ স্যারদের নজরে আসে।কমিশনার স্যার হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে সমস্ত বিল পরিশোধ করেন। আমাদের সন্তান আমাদের কোলে আজ পহেলা মে শুক্রবার ফিরিয়ে দেন। তিনি জানান দুনিয়াতে এখনো ভালো মানুষ আছে তাই আমাদের সন্তান আমাদের কোলে ফিরে পেয়েছি। স্যার দের কে আল্লাহ অনেক বড় করুক আল্লাহর কাছে আমি এই প্রত্যাশাই করি । গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান নবজাতক শিশুটি কে তার মায়ের কোলে অর্থাৎ পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠতম নিরাপদ আশ্রয় স্থলে ফিরিয়ে দিয়ে নিজেকে একটু হলেও আনন্দ ও স্বস্তি বোধ করছি।
এদিকে মা যেন তার সন্তানকে কাছে পেয়ে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম মাতৃত্বের স্বাদ পূরণ করেছে।
আল্লাহর অশেষ রহমতে মা ও নবজাতক সন্তান সুস্থ এবং নিরাপদে আছে।
আজকালের কন্ঠ /কবির /মিজান