Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৮:৫৫ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ এপ্রিল ১৯, ২০২০ , ৫:৩৯ অপরাহ্ণ

অসাহায়,দিনমজুরদের বাসায় বাসায় ত্রান পৌছে দিচ্ছেন কাউন্সিলর : মোস্তাক আহমেদ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

শেখ রাজিয়া সুলতানা : এ যেন প্রকৃতির জারি করা কার্ফ্যু, যা মানতে বাধ্য বিশ্ববাসী। (কোভিড-১৯) করোনা ভাইরাস নামে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে করোনা। এশিয়ার বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। বাংলাদেশে করোনা আতঙ্ক দুনিয়ার অন্য আর দশটি দেশের মতোই ধর্মপ্রাণ মুসল্লির এই দেশে কম বেশি আতঙ্কে আছে সবাই। কে ধনী, কে বিখ্যাত এসব বিচার করেনা করোনা। সবাইকে আক্রমণ করে। এ পরিস্থিতিতে একে-অপরের সহযোগিতা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোস্তাক আহমেদ।তাই তিনি অসহায় মানুসের ২৪ঘন্টা খোচ খবর নিচ্ছেন এবং বাসায় বাসায় পৌছে দিচ্ছেন খাবার ।

মোস্তাক আহমেদ আজকালের কন্ঠ কে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ও জনগণের সাহায্যে দিবা রাত্রি কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও দেশ ও জনগণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন। দেশে বিভিন্ন পেশাদার মানুষকে দেখা যাচ্ছে অনেকেই অসহায় গরিব দুঃখীদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

করোনার এ দুর্যোগে দেখা গেলো মানবতার আরেক মুখ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬২ নং ওয়ার্ডে পরপর দু’বার নির্বাচিত সফল কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোস্তাক আহমেদ। তার নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন সময় নিজ এলাকায় অসহায় মানুষদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছেন। সন্ধ্যার পরে গিয়ে দেখা যায় তিনি তখনও ত্রাণ দিয়ে যাচ্ছেন। আলাপকালে তিনি বলেন, আমি আট হাজার লোকের নাম তালিকা করে ত্রাণ দিচ্ছি। প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনের মতো লোক এসে নিয়ে যাচ্ছে এবং সেটা সতর্কতা বজায় রেখে। পাশাপাশি কারোর সমস্যা হলে কেউ কল দিলে তাঁর বাড়িতে আমরা ত্রাণ পৌঁছে দেয়।

তিনি আরো বলেন, আমার পাশের এলাকার কিছু ধর্মপ্রাণ মানবিক মানুষ আছেন যাঁরা এ উদ্যোগে শরিক হয়েছেন। তালিকাটা আপাতত আট হাজার করেছি, বার হাজার করবো। একজন মানুষ তাঁর পরিবার পরিজন নিয়ে যেন চার পাঁচদিন খেতে পারে তেমনভাবে ত্রাণ দিচ্ছি।

মোস্তাক আহমেদ বলেন, আল্লাহ আমাকে সেই তৌফিক দান করুন, আমি যেন সবসময় অসহায় মানুষদের পাশে থেকে এভাবেই সাহায্য সহযোগিতা করতে পারি।

তাঁর ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, চাল-ডাল, আলু, তেল, আটা। যথেষ্ট মজুত রয়েছে তাঁর ত্রাণসামগ্রী এবং সেইগুলো বিতরণ করছেন এলাকায় শেখদী আব্দুল্লাহ্ মোল্লা স্কুল এন্ড শেখদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। করোনা দুর্যোগ ছাড়াও মোস্তাক আহমেদ বছরজুড়ে তাঁর এলাকায় বিভিন্ন সময়ে সামাজিক উদ্যোগে ভালো কাজে সহযোগিতা করেন ও গরিব দুঃখীদের দানদক্ষিণা করার ব্যাপারে তিনি অত্যধিক তৎপর।

নিজেকে এবং আশপাশের মানুষকে জীবনের ঝুঁকি না নিয়ে করোনা সতর্কতা অবলম্বন করে দিনমজুরি, অভাবি ও যারা মুখ ফুটে কষ্টের কথা বলতে পারেন না, এমন পরিবারের প্রতি দেশের সকল কাউন্সিলররা তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় মানবিকতার দৃষ্টিতে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিলে হয়তো কিছু পরিবার অন্তত এ দুর্যোগে ঘরে থেকে নিরাহার থাকবে না।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববাসী স্বাভাবিক নিঃশ্বাস নিতেও আতঙ্কিত। প্রত্যেকটা দিন কাটছে মানুষের মৃত্যুর ভয়ে। এ যেন অভিশাপ। বিশ্বের সকল মানবজাতিকে রক্ষা করার উপায় পরম করুণাময় উপরওয়ালাই ভালো জানেন। করোনা সংক্রমণে লাগাম তো দূর অস্ত, যত দিন গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা।

আজকালের কন্ঠ / মিজান

প্রিন্ট করুন