আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : এসব সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী নিজস্ব কারখানায় তৈরি ৫ হাজার পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই), ১০ হাজার ৫৬ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ২০ হাজার পিস মাস্ক।
এর আগে যমুনা গ্রুপ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরকে ৮ হাজার পিপিই ও ১০ হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়েছিল।
করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ এড়াতে সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানাতে সারা দেশে রাজপথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে সেনাবাহিনী। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর নিজস্ব হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র খুলে সাধারণ মানুষদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে অকুতোভয় বীর সেনানীরা।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহৎ এ উদ্যোগের পাশে থাকার অংশ হিসেবে রোববার এসব সুরক্ষা সামগ্রী দেয়া হয়। দেশের এ মহাদুর্যোগে সরকার ও সেনাবাহিনীর পাশে থাকার জন্য এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের পক্ষ থেকে যমুনা গ্রুপকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
এর আগে ৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।
ওই অনুষ্ঠানে নুরুল ইসলাম সরকারের বিভিন্ন বিভাগকে ১৩ হাজার পিপিই, ৭৫ হাজার মাস্ক, ২ হাজার করোনা টেস্ট কিট ও ৩০ হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ৭ এপ্রিল ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরকে সুরক্ষা সামগ্রী দেয় যমুনা গ্রুপ।
মহাখালীতে সংস্থার মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের হাতে সরঞ্জাম তুলে দেন গ্রুপের ডিরেক্টর এবিএম শামসুল হাসান ও ড. আলমগীর আলম। সরঞ্জামের মধ্যে ছিল- ৮ হাজার ১৬ পিস পিপিই, ১৫ হাজার পিস সার্জিক্যাল ও এন৯৫ ফেস মাস্ক এবং ১০ হাজার ৫৬ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার।
আজকালের কন্ঠ /এমএম