Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৯:৩১ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ এপ্রিল ৬, ২০২০ , ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ

অসহায় ও গৃহবন্দীদের বাড়িতে খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দিচ্ছেন নির্মল রঞ্জন গুহ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

মিজানুর রহমান : করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেনতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য জনপ্রতিনিধির গুরু দায়িত্ব যথাযথ পালনে ব্রতি হয়ে মাঠে কাজ করছেন বাংলাদেশ আওয়মী স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ।

গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে গণসচেনতা বৃদ্ধি ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড স্থানিয় জনগনের কাছে বেশ প্রশংসনীয় হয়ে ওঠে। অসহায় ও গৃহবন্দী নিম্ম আয়ের মানুষদের জীবনধারা লাঘব করেছে দুশ্চিন্তা ও হতাশা। বাড়িয়ে দিয়েছে সচেনতা ও বেঁচে থাকার প্রয়াস এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মানসিকতা।

নির্মল রঞ্জন গুহু গত কযেকদিন দিন ধরে নিজ এলাকাবাসীর (ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জে) উদ্দেশে আহবান করে যাচ্ছেন, সরকারের নির্দেশনা মানা এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা। নিজে সচেতন হয়ে অন্যকে সচেতন করা।ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। সুস্থতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অনেক ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকুন এবং যেকোনো প্রয়োজনে ফোন দিন এরই ধারাবাহিকতায় তিনি সকাল থেকে রাত পর্যান্ত কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন অসহায় ও গৃহবন্দী নিম্ম আয়ের মানুষদের বাড়িতে বাড়িতে । হাতে তুলে দেন সপ্তাহের বাজার। এভাবে সাহায্য গ্রহনকারীদের পরিচয় গোপন রেখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনসাধারণের কথা চিন্তা করে তাদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলো পালন করার চেষ্টা করছি। আমি এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছি নিজের সাধ্য অনুযায়ী তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। সতর্ক থাকার কারণে দোহার এলাকায় কোনো দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়তে দেওয়া হয় নি ।

নির্মল রঞ্জন গুহ আজকালের কন্ঠকে বলেন, আমি একজন সৎ রাজনিতীবিদ হয়ে সবসময় জনগণের হয়ে মাঠে আছি।আমার এলাকার জনগণ আমাকে খুব ভালবেসে তাই এই বিপদের সময় যদি আমি তাদের পাশে না থাকি তাহলে আল্লাহর কাছে কি নিয়ে মুখ দেখাবো। তিনি তো আমাকে জনগনের সেবক হিসিবে আমােকে এত বড় যায়গায় বসার সুযোগ করে দিয়েছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যতদিন না পর্যন্ত এ মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে আমরা সক্ষম না হচ্ছি ততদিন আমি মাঠে আছি, থাকব এবং সাধ্য মতো সেবা দিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ।সমাজের অনেক লোক রয়েছেন যারা অসহায় ও নিম্ম আয়ের। তারা কারো কাছে কিছু চাইতে বা বলতে পারেননা। অথচ কষ্টে আছেন। আমি তাদের পরিচয় গোপন রেখে একান্ত গোপনে সপ্তাহের বাজার বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ এবং সকল সংস্থার লোকজন কাজ করছে জনসাধারণের জন্য, সাথে আমিও আছি মানুষকে সচেতন ও সহযোগিতা করার জন্য।

এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশ মেনে চলুন, করোনা ভাইরাস এর হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘরে থাকুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশাবলী মেনে চলুন, সেনাবাহিনী ,পুলিশ এবং আমরা সমন্বয় করে কাজ করছি তাই বিনা প্রয়োজনে কেউ বাইরে যাবেন না, সবাই ঘরে থাকুন। ঘরের বাইরে বের হয়ে যদি কেউ বিব্রত অবস্থায় পড়েন তখন আমারও করার কিছু থাকবেনা, তাই সবাই ঘরে থাকুন। নিরাপদে থাকুন।

নির্মল রঞ্জন গুহ আরো বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে দরিদ্র মানুষরা যেমন কষ্ট পাচ্ছে তেমনই কষ্ট পাচ্ছে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো কুকুর-বিড়ালগুলো । মানুষ তো ক্ষুধা লাগলে বা যে কোন প্রয়োজনের কথা বলতে পারে কিন্তু কুকুর-বিড়ালগুলো কি বলে? বলতে পারেনা।শুধু মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। তাদের এই নিরব ভাষা হয়তো কেউ বুঝতে পারে, কেউ পারেনা।তাই আল্লাহর সৃস্টি প্রতিটি জীবের প্রতি আমাদের সহনশীল হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি ।

দেশে এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতার হাত আরো প্রসারিত করার জন্য তিনি আহবান জানান।

আজকালের কন্ঠ / মিজান

প্রিন্ট করুন