মোহন সরকার,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলায় প্রতিবেশী দাদার বিকৃত লালসার শিকার ১৩ বছরের নাতনির ৭ মাসের পুত্র সন্তান ভুমিষ্ট হবার পর মৃত্যু হওয়ায় প্রকাশ হয় অভিযুক্তের নাম।
জানা যায়, উপজেলার ধাপেরহাট বোয়ালীদহ গ্রামের আঃ সামাদ মিয়া (৭৫)এর লালসার স্বীকার একই গ্রামের জনৈক্য ব্যক্তির মা হারা অসহায় ১৩ বছরের একটি মেয়ে।মেয়েটির বাবা বিয়ে করে ২য় স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। সেই সুযোগে দাদা সম্পর্কীয় আব্দুস সামাদ তার বাড়ীর যাবতীয় সাংসারিক কাজ কর্ম মেয়েটিকে দিয়ে করাতেন।
এক পর্যায়ে দাদা আব্দুস সামাদের কুদৃষ্টি পড়ে নাতনির দিকে। একদিন ফাঁকা বাড়ী পেয়ে মেয়েটিকে জীবননাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষন করে। এতে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে।
গত মঙ্গলবার (৩০ মে) দিবাগত রাতে মেয়েটি পুত্র সন্তানের জম্ম হওয়ার পর মৃত্যু হলে বিষয়টি রাতেই ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন আব্দুস সামাদের পরিবার। এ ঘটনায় মেয়েটির আপন দাদী পারুল বেগম রাতেই বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তৎক্ষণাৎ নারী লোভী দাদা আব্দুস সামাদকে গ্রেফতার করে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই, জিয়াউল হক মামুন জানান, মুল আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে হাসপাতালে আর মৃত নবজাতককে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।