এম রহমান : বিশ্ব মানবতার বাতিঘর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্ধিত সভা -২০২৩, ১৩ মে শনিবার ২০২৩ তারিখ বাংলা একাডেমি আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু’র সঞ্চালনায়
সকাল ১১ টায় শুরু হয়ে ১৪ মে রাত ১টা ৩০ মিনিটে শেষ হয়। বর্ধিত সভা শেষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জননেতা কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
এবারের বর্ধিতসভার প্রধান উদ্দেশ্য আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলে সাংগঠনিক অবস্থা পর্যালোচনা ও সংগঠন শক্তিশালীকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন ও নির্দেশনা।
বর্ধিতসভার অন্যতম গাইড লাইন ছিল, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জেলায় গেলে যে সম্মান ও আতিথেয়তা পায়, তেমনি জেলা নেতাদের প্রতি কেন্দ্র যথযথ সম্মান প্রদর্শণ করবে। যার কারণে শুধুমাত্র জেলা নেতৃবৃন্দই কথা বলবে, অন্য কোন কেন্দ্রীয় নেতা নয়।
সকল ৯টা থেকে রিপোর্টিং, রেজিস্ট্রেশন, ব্রেকফাস্ট, পিঠা-পুলি, চা-কফি আয়োজন ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক! আনুষ্ঠানিকভাবে সভা শুরু হয় বেলা ১১ টায়, মাঝখানে শুধু আধা ঘন্টার লাঞ্চব্রেক।এরপর একটানা চললো। বিকেলের নাস্তা, চা-কফি, ডিনার সবই পাশাপাশি চলেছে! কিন্তু ১ মিনিটির জন্য সভায় কোন বিরতি হয় নি। বিভাগ অনুযায়ী বক্তব্য শেষে তারা ডিনারে যাচ্ছে, ডিনার শেষে করে আবার সভায় ফিরছে। সভায় কোন ছন্দপতন নেই। কারো মধ্যে বিন্দুমাত্র ক্লান্তি পরিলক্ষিত হয়নি!
সভা শেষ হল রাত দেড়টায়। টানা সাড়ে ১৪ ঘন্টা বা ৮৭০ মিনিট (লাঞ্চের আধা ঘন্টা বাদে) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু মঞ্চে বসে সবার কথা শুনেছেন, যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন; কারো বক্তব্যের একটি শব্দও মিস করেন নি!
খাদ্য উপ কমিটি, প্রচার উপ কমিটি ও দপ্তর উপ কমিটি তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করেছে! সকলের বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য তথ্য লিপিবদ্ধ করেছেন সংগঠনের দপ্তর ও উপ-দপ্তর সম্পাদক, ‘সোশ্যাল মিডিয়া সাংগঠনিক গাইডলাইন’ সবার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে! যার সারাংশ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বর্ধিতসভার প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি, প্রিয় নেতা জননেতা কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। সবাই তাঁর বক্তব্য খুবই মনযোগ দিয়ে শুনেছেন, বেশ কয়েকবার তিনি বসেও কথা বলেছেন। ‘সোশ্যাল মিডিয়া গাইডলাইন’ পুরোটা পড়েছেন। তিনি সকলের সাথে বসে লাঞ্চ করেছেন। উপস্থিত ৭৯টি সাংগঠনিক জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বর্ধিতসভায় সকল কেন্দ্রীয় এবং সাংগঠনিক জেলার সভাপতি/আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদক/যুগ্ম আহ্বায়কসহ প্রায় ৯০ ভাগ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় পরিষদের ৭০ ভাগ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ৭৯টি সাংগঠনিক জেলার ৭৫ টিকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে, উপস্থিতি ছিল শতভাগ। ৬৮টি সাংগঠনিক জেলা পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।