স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ দলের হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দ্বিতীয় মেয়াদে আসার পরই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বেশ রদবদল দেখা গেছে। ব্যাটাররা আগ্রাসী মনোভাবে নিজেদের মেলে ধরার চেষ্টা করছেন। যে ধারা এখন ওয়ানডেতেও প্রয়োগ করছেন সাকিব-তামিমরা।
সব মিলিয়ে চলমান ক্রিকেট সংস্কৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। তবে এমন আগ্রাসী মনোভাব শুধু ব্যাটেই নয়, সবক্ষেত্রেই দেখতে চান টাইগার প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে। আগামী মে মাসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে টাইগাররা। এই সিরিজের আগে সিলেটে তিনদিনের ক্যাম্প করেছেন তামিম ইকবালরা।
শনিবার (২৯ এপ্রিল) শেষদিনের অনুশীলনের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন টাইগারদের প্রধান কোচ। সেখানে তিনি আগ্রাসী ক্রিকেট সম্পর্কে সবার ভুল ধারণার কথা উল্লেখ করে সেটি শুধরে দেন।
হাথুরুসিংহের দাবি, আমাদের সব সময় আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার মানসিকতা থাকবে। এর মানে এই না যে, বল মেরে স্টেডিয়ামের বাইরে পাঠাতে হবে। আগ্রাসী ক্রিকেট মানে হলো, যা-ই করি না কেন, ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে করতে হবে। শুধু ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে নয়, দল বাছাই, ফিল্ড প্লেসিং কিংবা কী ধরনের বোলিং করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও আগ্রাসী থাকতে হবে। আমরা ছেলেদেরকে এই স্বাধীনতা দিতে যাই, যেন তারা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরতে পারে।
ব্যাটারদের দায়িত্বের কথাও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন হাথুরু। তিনি জানালেন, ওপেনার হলে ১০ ওভার ব্যাট করতে হবে, কীভাবে শুরু করতে হবে এবং ফিল্ডিং রেস্ট্রিকশনের সর্বোচ্চ ব্যবহার কীভাবে করতে হবে সেটাও ভাবতে হবে। মাঝে ব্যাট করলে পরিস্থিতি অন্যরকম থাকবে। কখনও চারজন বা পাঁচজন আউট হওয়ার পর আসতে হবে (ব্যাটিংয়ে)।