Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১১:০৮ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ এপ্রিল ১২, ২০২৩ , ৪:৪০ অপরাহ্ণ

বাকেরগঞ্জ সাবেক সেনা সদস্যের কাছে জমি বিক্রয় করার নামে প্রতারণার অভিযোগ!

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

খান মেহেদী : বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য নলুয়া ইউনিয়নের মৃতু – মো: আলী মোকসেদ গাজীর পুত্র সাবেক সেনা সদস্য মৃত – আলী আজম গাজী (মো: গোলাম আজম গাজী) ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। তখন তিনি পাকিস্তানে ৯ মাস জেল হাজতে বন্দি ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পরে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকেন যাহার সেনা সদস্য নাম্বার -১২০১৬২৫। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত হন।

সেনার সদস্য গোলাম আজম গাজী অবসরের পরে বরিশালের বাকেরগঞ্জ ইউনিয়নের তার নিজ গ্রামে বসবাস করেন। ১৯৮৮ সালের ২ মার্চ বাকেরগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে হরিচরন ও রাম কানাই এদের থেকে ২০ হাজার টাকা মূল্যে ৪০ শতাংশ ২৫ পয়েন্ট জমি ক্রয় করেন। ২১ এপ্রিল ১৯৯০ সালে মো: গোলাম আজম গাজী ৩২০৯ নং দলিল মূলে মালিকানা থাকিয়া প্রতিবেশী রোকনুদ্দিন আহমেদ মুন্সির ছেলে মো: নুরুল মোমেন ও মো: জাকির হোসেনের কাছে ১৯ হাজার টাকা মূল্যে ৪০ শতাংশ ২৫ পয়েন্ট জমি বিক্রয় করেন।

মৃত গোলাম আলম গাজীর পুত্র মো; রাকিবুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, আমার পিতা জমি বিক্রয়ের পাঁচ বছর পরে মো: নুরুল মোমেন ও তার ভাই মো: জাকির হোসেন মুন্সির কাছে ঐ জমি ক্রয় করার লক্ষ্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ অসংখ্য লোক সাক্ষী রয়েছে। আমার পিতা ঐ জমি তাদের থেকে পুনরায় দলিল নেয়ার জন্য টাকা প্রদান করলে সেই থেকেই এখন পর্যন্ত ওই জমি আমাদের ভোগ দখলে রয়েছে। ১৯৯৫ সালে আমার পিতা তাদের জমি ক্রায় করার জন্য টাকা দিলেও বিভিন্ন সময় দলিল দেয়ার আশ্বাস দিয়ে আসলেও বিভিন্ন অজুহাতে তালবাহানা করতে থাকে। এর পরে আমার পিতা ২০০৬ সালের ৮ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা সি এম এস মৃত্যুবরণ করেন। আমার পিতার মৃত্যুর পরে নুরুল মোমেন ও জাকির হোসেনের কাছে ওই জমির দলিল চাইতে গেলে তারা বারবার আশ্বাস দেয় আমরা ঢাকা থেকে সময় নিয়ে এসে তোমাদের দলিল ফেরত দেব। জমি যেহেতু তোমাদের দখলেই আছে আজ না হয় কাল দলিল তো তোমরাই পাবে। শত মিথ্যা আশ্বাসের বাণী দিলেও ওই জমির বর্তমান মূল্য আট দশ লক্ষ টাকা হওয়ায় তারা আর ফেরত না দিয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা করে অধিক টাকায় দলিল আমাদের না দিয়ে গত ৭ এপ্রিল ২০২৩ সালে প্রতিবেশী মো: হানিফ ও তার স্ত্রী তানজিলা আক্তারের কাছে ৬ লাখ টাকায় জমি বিক্রি করে দেয়। জমি বিক্রির কিছুদিন পরেই আমাদের ভোগ দখলি জমি ছেড়ে দিতে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছে। এবং ওই জমি দীর্ঘদিন আমরা ভোগ দখলে থাকায় আমাদের কাছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার পাঁচশত টাকা চাপ সৃষ্টি করে আসছে।

এবং তাদের দাবি কৃত টাকা না দিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেয়। এমন পরিস্থিতিতে রাকিবুল হাসানের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাই তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষে কামনা করেন।

 

 

প্রিন্ট করুন