আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশেষ অধিবেশন বসছে বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল)। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় বসবে এ অধিবেশন।
গত মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অধিবেশন আহ্বান করেন।
এটি একাদশ জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন এবং জাতীয় সংসদের ৫০ বছরপূর্তি ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন। এই অধিবেশন চলবে চার থেকে পাঁচ কার্যদিবস।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৭ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের এটিই হয়তো সংসদে শেষ ভাষণ হতে যাচ্ছে। আগামী ২৩ এপ্রিল তার দুই টার্মের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের পরদিন শনিবার সকালে শুরু হবে সংসদের বৈঠক। ওই বৈঠকে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৪৭ বিধিতে সাধারণ প্রস্তাব তুলবেন। এরপর তিনি ওই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করবেন। পরে দুই দিনব্যাপী সাধারণ প্রস্তাবের ওপর সংসদ সদস্যরা বক্তব্য রাখবেন। এরপর তা গ্রহণ করা হবে।
বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের যাত্রা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ঐতিহাসিক বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরা হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণগুলো প্রচার করা হবে। সংসদ সদস্যরা বিশেষ অধিবেশনে সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আলোচনা করবেন।
আজ অধিবেশন শুরুর দিন স্বাভাবিক কার্যক্রম চললেও দ্বিতীয় দিন শুরু হবে বিশেষ অধিবেশন। এদিন বিকেল ৩টায় বসবে সংসদের বৈঠক।
করোনাকালের ধারাহিকতায় এবারও এমপিদের কোভিড-১৯ টেস্ট করে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে হবে। এছাড়া সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যম কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে করোনার নমুনা পরীক্ষা করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ওই বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।