স্পোর্টস ডেস্ক : নিজেকে দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন গ্রাহাম পটার। ব্রাইটন থেকে বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে চেলসি কোচ হিসেবে এনেছিল তাঁকে। ব্রাইটনে সময়টা ভালো কাটলেও চেলসিতে ছিলেন ব্যর্থতার বৃত্তে। শনিবার প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলার কাছে হারের পরদিনই চেলসি কর্তারা বরখাস্ত করে পটারকে। স্টাম্পফোর্ড ব্রিজে পুরো সাত মাসও টিকলেন না তিনি।
প্রিমিয়ার লিগে এবারের মৌসুমে এখন পর্যন্ত মোট ১২ কোচ বরখাস্ত হয়েছেন। আর ক্লাব ছাড়ার হিসাব করলে সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়ায় ১৩-তে। এই সংখ্যাই বলে দিচ্ছে চলতি মৌসুমে ইংলিশপাড়ায় কোচ ছাঁটাইয়ের হিড়িক পড়েছে।
ইংলিশ লিগে বরখাস্তের প্রথম তীরটা পড়ে স্কট পার্কারের ওপর। মৌসুম শুরুর প্রথম তিন ম্যাচে ১৬ গোল হজম করে বোর্নমাউথ। এর মধ্যে ছিল লিভারপুলের কাছে ৯-০ গোলে হারের লজ্জা। গত বছরের ৩০ আগস্ট পার্কারকে বরখাস্ত করে গ্যারি ও’নেইলকে দায়িত্ব দেয় বোর্নমাউথ। চলতি মৌসুমে প্রথম হাইপ্রোফাইল কোচকে বরখাস্ত করে চেলসি।
ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জেতার ১৫ মাস পর থমাস টুখেলকে ছাঁটাই করা হয়। মৌসুমের শুরুতে প্রথম সাত ম্যাচের মধ্যে লিগে তিন ম্যাচ পরাজয়ের কারণেই টুখেলকে বরখাস্ত করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাঁর জায়গায় কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় গ্রাহাম পটারকে।
রেলিগেশন জোনে চলে যাওয়ায় ২০২২ সালের ২ অক্টোবর চাকরি হারান তিনি। সে তালিকায় একে একে যোগ হন স্টিভেন জেরার্ড, রালফ হাসেনহুট, ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড, হেসে মার্শ, নাথান জোনস, প্যাট্রিক ভিয়েরা, অ্যান্তোনি কন্তে, ব্রেন্ডন রজার্স ও গ্রাহাম পটার।
হাইপ্রোফাইল কোচদের মধ্য টুখেল, কন্তে ও পটারের বরখাস্ত হওয়া নিয়ে বেশিই আলোচনা চলছে। বিশেষ করে চেলসির কোচ পটারের ছাঁটাইয়ে অনেকেই অবাক। তার সঙ্গে চুক্তি করার সময় ক্লাব কর্তৃপক্ষ আভাস দিয়েছিল, এই মৌসুমে লিগে সেরা চারে না থাকলেও বরখাস্ত করা হবে না। তবে দায়িত্ব পেলেও চেলসিকে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের করতে পারেননি পটার। তার অধীনে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩১ ম্যাচে হেরেছে ১১টিতে।