আজকালের কন্ঠ ডেস্কঃ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলা। এটির উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৩’ শীর্ষক এ মেলার ১১তম আসরের আয়োজন করেছে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। দেশ-বিদেশের ১৪৬টি পর্যটন প্রতিষ্ঠান এতে অংশগ্রহণ করছে। এবারের মেলায় পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ফার্স্ট ট্রিপ। সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ।
মেলায় অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সেবার ওপর বিশেষ মূল্যছাড়সহ নানা সুবিধা দিচ্ছে। আর ট্যুর অপারেটররা বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্যাকেজ অফার করছে। মেলা চলবে ৪ মার্চ পর্যন্ত।
মেলা ঘুরে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক ও দেশী এয়ারলাইনস, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার, হাসপাতালের ১৪টি প্যাভিলিয়নসহ ১৪৬টি স্টল রয়েছে। মুজিব বাংলাদেশ কর্নার ও ফটোবুথও আছে। ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, জাপান ও তুরস্কের বিভিন্ন পর্যটন প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। সাইডলাইন ইভেন্ট হিসেবে আছে বি টু বি সেশন, সেমিনার ও গোলটেবিল আলোচনা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, টোয়াবের তিনদিনব্যাপী পর্যটন মেলা দেশী-বিদেশী পর্যটক আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে। এ মেলার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে অন্যান্য দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবে।
টোয়াবের পরিচালক (বাণিজ্য ও মেলা) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এবারের মেলা আগের বছরের তুলনায় অনেক আকর্ষণীয় ও জাঁকজমকপূর্ণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া মেলায় প্রডাক্ট ব্র্যান্ডিং, পর্যটন বিষয়ে সেমিনার, গোলটেবিল আলোচনা, কর্মশালা, বিটুবি সেশনসহ আকর্ষণীয় সব আয়োজন নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। দর্শনাথীদের জন্য প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ও দেশের পর্যটন গন্তব্যের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে।
টোয়াবের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের গভর্নিং বডির সদস্য শিবলুল আজম কোরেশী বলেন, ‘পর্যটন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এর টেকসই উন্নয়ন এ মেলার প্রধান উদ্দেশ্য। এবারের পর্যটন মেলা ব্যবসায়ী, দেশী-বিদেশী পর্যটক এবং পাটশিল্প সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে প্রত্যাশা করছি।’