পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালী বাউফল উপজেলাধীন আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে আতশখালী গ্রামের খতিয়ান নং- ১৪৭ এর বন্দে আলী মুন্সিবাড়ীর আব্দুল মন্নান মৃধা এক তৃতীয়াংশের মালিক। ২০১৯ তিনি তার সম্পত্তি বুঝে পাওয়ার জন্য
একটি বন্টন মামলা করেন। তখন স্থানীয় চেয়ারম্যান সামসুল হক ফকির, জাহাঙ্গীর মৃধা, খালেক মৃধা, ফিরোজ, ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম, ১০৮নং দক্ষিন মহাশ্রাদ্ধি সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ কুদ্দুস ও আঃ
হাই মেম্বার মাধ্যমে একটি শালিশ ব্যবস্থার মাধ্যমে জমি বন্টন করা হয়। জপিরকারী ছিলেন নুর হোসেন মোল্লা। তখন আঃ মন্নান মৃধা বন্টন মামলা তুলে ফেলেন এবং তার অংশের জমির সিমানা নির্ধারন করেন। বন্টনের পর থেকে বাড়ীর মালেক মু্িধসঢ়;ন্স ও সিদ্দিক মুন্সি জমি কিছু দখল দেয় এবং কিছু দখল দেয় না। মিথ্যা মামলা দিয়ে ও রাতের আধারে গাছপালা কেটে বিভিন্ন ভাবে তাদের হয়ারানি করে আসছে। কিছু দিন পূর্বে আব্দুল মন্নান মৃধা ও তার ছেলে মোঃ নেছার উদ্দিন মৃধা
বাড়ীতে তাদের বুঝে পাওয়া জমিতে একটি পাকা বিল্ডিং এর কাজ ধরেন কিন্তু মালেক মু্িধসঢ়;ন্স ও সিদ্দিক মুন্সি গং বিল্ডিং তুলতে বিভিন্ন বাধা দিয়ে আসছে। বন্টনের সময় জমি বুঝ দিয়ে পরে ওখানে পূর্বে কবর আছে বলে বিল্ডিং তুলতে
বাধা দেয়। ২১ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ বিকাল বেলা আঃ মন্নান মৃধার নির্মানাধীন বিল্ডিং এ বাড়ীর কিছু ছোট ছোট ছেলে বায়জিদ পিতা হাবিব মৃধা, রিফাত হোসেন পিতা মালেক মুন্সি সহ আরো অনেক ছেলে দেয়ালের উপর উঠে খেলা করা
অবস্থায় দেয়াল ভেঙ্গে পড়ে বায়জিত এবং রিফাত আহত হয়। এদের মধ্যে রিফাত গুরুত্বর আহত হয়। বাচ্চারা খেলাধুলা করতে গিয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছে। এ ঘটনায় আঃ মন্নান মৃধার বাড়ীর মালেক মু্িধসঢ়;ন্স বাদী হয়ে নেছার মৃধা, কাওসার মৃধা, আনছার মৃধা, আবদুল মন্নান মৃধা কে আসামী করে পটুয়াখালী বিজ্ঞ আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলার কোন ভিত্তি নেই। কারণ বাচ্চারা খেলা করতে গিয়ে ২১ নভেম্বের ২০১৯ তারিখ আহত হয় কিন্তু মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে ২৬ নভেম্বর। মামলায় নেছার মৃধাকে ১নং আসামী করা হয়েছে আসলে ঘটনার দিন সে তার কর্মস্থল গণউন্নয়ন প্রচেষ্টা সংস্থার গোপালগঞ্জের কোটালি পাড়ায় ভাঙ্গারহাট বাজার শাখায় কর্মরত ছিলেন। মামলার ২নং আসামী কাওসার ঘটনার সময় পটুয়াখালী ছিল। ৩নং আসামী আনছার মৃধা ঘটনার সময় পাশের বাড়ীর শেফালী মৃধার ঘরের বিদ্যুতের কাজ করছিল এবং ৪নং আসামী আঃ মন্নান মৃধা ঘটনার দিন ঢাকায় ছিলেন কাজে ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আনছার ছুটে যায় ঘটনাস্থলে এবং পটুয়াখালী থেকে কাওসার হাসপাতালে যায়। এর যথেষ্ট প্রমান আছে। আর বোঝাযায় পূর্ব শত্রুতার কারণে এ মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তারা মিথ্যা মামলা দিয়েই ক্ষান্ত হয় নাই ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ তারিখ আঃ মন্নান মৃধা ও তার ছেলে নেছার মৃধার রোপন কৃত অনকে ফলোজ গাছ রাতের আধারে কেটে ফেলে। যে গাছ গুলোতে সবে মাত্র ফল ধরতে শুরু করেছে। এবিষয়ে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামসুল হক ফকির এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, নির্মানাধীন বিল্ডিং এর ভিতর বাচ্চারা খেলা করতে গেলে দেয়ালের অংশ ভেঙ্গে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে এমন ঘটনার কথা শুনি নাই। এবিষয়ে ১০৮নং দক্ষিন মহাশ্রাদ্ধি সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ কুদ্দুস বলেন, ঘটনাটি ঘটে ২১ নভেম্বর বিকাল বেলা। ঐদিন সকালে ওরা অংক পরীক্ষা দিয়ে গেছে। বাড়ীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা, আঃ খালেক মুন্সি ও আঃ ছত্তার জানায়, নির্মানাধীন বিল্ডিং এর ভিতর খেলা করতে গেলে এ দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছে। তখন আমরা রাস্তায় ছিলাম শুনে ছুটে এসেছি। ক্যপশনঃ আঃ মন্নান মৃধার রোপনকৃত ফলোজ গাছ কাটা অবস্থায় এবং তার নির্মানাধীন বিল্ডিং এ বাচ্চারা খেলাধুলা করার সময় ভেঙ্গে যাওয়া অংশ।
আজকালের কন্ঠ /বাদল /মিজান