রিপোর্টার মোঃ নাসিম : আমি লতিফা আক্তার, পিতা – ডাঃ সৈয়দ মতিউর রব, মাতা – শামছুন নাহার, সং- ২১৪, পশ্চিম আগারগাঁও, থানা – শেরেবাংলা নগর, ডি. এম. পি. ঢাকা, আমার মাতা-শামছুন নাহার ২টি সাফ কবলা দলিলে দলিল নং ১) ২৫১৬ এবং ২) ৪০৭০৪ দুই দলিলে ৬.১৬ শতাংশের মালিক হইয়া ভোগদখল করা কালীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন। আমার মা মৃত্যু বরন কালে আমার সহোদর ২ বোন ও ভাই রেখে মারা যায়। আমার ২ বোন, আমি লতিফা আক্তার ও আমার বোন রাশিদা বেগম ও ১ ভাই দেলোয়ার হোসেনকে রেখে মৃত্যু বরন করেন।
পূর্ববর্তী কাউন্সিল রোকেয়া শাহাবুদ্দিন ওয়ার্ড নং ৪১ ঢাকা সিটি কর্পোরেশন তারিখ ১৬/০৩/১৯৯৯ ইং দেলোয়ার হোসেন এবং দুই কন্যা রাশিদা বেগম এবং লতিফা আক্তার এর নামে একটি ওয়ারিশ সনদপত্র নেওয়া হয় এবং সে পরবর্তীকালে কাউন্সিল জনাব আবু বক্কর সিদ্দিক এর নিকট থেকে নিজেকে একমাত্র ওয়ারিশ উল্লেখ করে আরও একটি ওয়ারিশ সনদপত্র নেয়। বর্তমান কাউন্সিল যাচাই বাছাই করে এক পুত্র ও দুই কন্যা এর নামে ওয়ারিশন সনদ প্রদান করেন, যাহার তারিখ ২০/১১/২০২২ ইং। আমার ১ মাত্র সহদোর ভাই দেলোয়ার হোসেন বি.এন.পি. এর একজন কুখ্যাত ক্যাডার আমাদের দুই বোন আমি লতিফা আক্তার ও আমার বড় বোন রাশিদা বেগমকে ডাঃ সৈয়দ মতিউর রব এবং শামছুন নাহার এর সন্তান হিসেবে অস্বীকার করে আমার মায়ের রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিজ নামে সিটি জরিপ ও নামজারী খারিজ করে নেয় এবং উক্ত ভূমি ডেভেলোপার – টিয়নিক বিল্ডিং ডিজাইন এন্ড দেভেলোপমেন্ট লিমিটেড কে দিয়ে দেয় এবং আমাকে ও আমার মৃত বোনের ওয়ারিশদের কে বাড়ী থেকে বের কিরে দেয় এবং আমাদেরকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করে।
আমরা থানায় গিয়ে মামলা করতে চাইলেও আমাদের মামলা নেয়নি এবং যমুনা টিভিতে মিথ্যা সংবাদ দিয়ে আমাদের মালিকানাকে অস্বীকার করে চাঁদাবাজ বানিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে। সম্মানিত সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা টিভি, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশবাসীকে জানাতে চাই যে, মাতার ওয়ারিশ যা কোরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক আমাদের দুই বোনের প্রাপ্ত সম্পত্তি আমাদেরকে না দিয়ে আমার একমাত্র ভাই উহা একা আত্মসাৎ করছে।
উক্ত বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট আকুল আবেদন আমাদের সম্পত্তি উদ্ধার করে আমাদের ফেরত দিয়ে আমাদের বেচে থাকার ব্যবস্থা করিবেন। আমরা অসহায় মানুষ। উক্ত ঘটনা আমরা স্থানীয় কাউন্সিল এর নিকট যোগাযোগ করিলে পূর্বের ইস্যুকৃত ওয়ারিশ সনদপত্র বাতিল করে। ২ বোন ও ১ ভাইয়ের নামে পুনরায় ওয়ারিশ সনদপত্র ইস্যু করে। উক্ত বিষয়গুলো স্থানীয় সকল জন সাধারণ অবগত আছে। আমার ভাই আমাদের উত্তরাধিকার সম্পত্তি আত্মসাৎ করে এবং সে বর্তমান আওয়ামী লীগ ও সরকার দলের তথ্য মন্ত্রী হাসান মাহমুদ সাহেবের নাম বিক্রি করে প্রভাব খাটিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করে। আমি এটার বিচার চাই।
নিবেদক
লতিফা আক্তার
পিতা – ডাঃ সৈয়দ মতিউর রব
মাতা – শামছুন নাহার