দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনায় তেতুলিয়া নদী থেকে ২২ জেলেকে আটক করে নৌ-পুলিশের সদস্যরা।
সোমবার (৩০ জানুয়ারী) সকাল থেকে সাড়াদিন উপজেলা মৎস্য অফিস ও নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের যৌথ অভিযানে ২২ জেলেকে আটক করা হয়।
জানা যায়, গত সোমবার সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত উপজেলা মৎস্য ও নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধ ভাবে পাঙ্গাসের ছোট রেনু এবং কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরায় ১৮ জনকে জরিমানা। ৬ জনকে মুচলেকা ও ২ জনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়।
আটক কৃতরা হলেন বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার শানু হাওলাদারের ছেলে বাবুল হাং(৩৫), মৃত. সায়েদ উদ্দিনের ছেলে নুরু হাওলাদার (৫০), রশিদ হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার (১৮), মৃত.আদম আলী খাঁনের ছেলে রাজ্জাক খাঁন (৪০),শানু হাওলাদারের ছেলে মতিয়ার হাওলাদার (৪০), কাদের হাওলাদরের ছেলে জলিল হাওলাদার (৫৩) মৃত.আইজউদ্দিন প্যাদার ছেলে মো. রাজ্জাক প্যাদা (৬০), শানু হাওলাদরের ছেলে আব্বাস হাওলাদার (২৩),
পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার জলিল চৌকিদারের ছেলে মনির চৌকিদার (৩২) অমূল্য চন্দ্র দাসের ছেলে শান্তি রঞ্জন দাস (৬৩) মৃত. মুকুল চন্দ্র দাসের ছেলে গৌরঙ্গ চন্দ্র (৬৫) মৃত.রমন দাসের ছেলে সচিন চন্দ্র দাস (৮০) শানু আকনের ছেলে সবুজ আকন (২৫) জলিল চৌকিদারের ছেলে মনির চৌকিদার (৩২) কে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার বুলু হাওলাদারের ছেলে নাজমুল হাওলাদার (১০) দেলোয়ার হাওলাদারের ছেলে শাকিল হাওলাদার (১২) মতিউর হাওলাদারের ছেলে রবিউল হাওলাদার (১৩) মতিউর হাওলাদারের ছেলে কাওছার হাওলাদারকে (১৫) মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
ঐ দিন সকালে তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা ধরায় নৌ-পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার নূরাবাদ গ্রামের ছনাউল্লার ছেলে মোঃ আল আমিন(৩০), আঃ রহাম(২১) আটক করে মৎস্য সংরক্ষন আইন ১৯৫০ সনের (সংশোধনী/২০১৩)এর ৫(২) ধারায় নিয়মিত মামালা রুজু করা হয়। দশমিনা থানা মামলা নং-০৮ এবং মোঃ নাহিদ(১২), মোঃ রাসেল(১৩) কে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পুলিশ পরিদর্শক(এসআই) মোঃ সুরুজ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান পরিচালনা করে ২২ জন জেলেকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৪টি পাঙ্গাসের রেনু ধরার জাল, ৫১শত মিটার কারেন্ট জাল ও ৪ টি ট্রলার জব্দ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন উপজেলার তেতুলিয়া নদী থেকে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মৎস্য আইনে ১৪ জনকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা, ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরন ও বয়স বিবেচনায় ছয় জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় ।