Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১২:১৫ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জানুয়ারি ৪, ২০২০ , ১১:০১ পূর্বাহ্ণ

জলাবদ্ধতা নিরসন ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রধান অঙ্গীকার

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করে জলাবদ্ধতা নিরসনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন দল সমর্থিত ও স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রধান অঙ্গীকার। সরু রাস্তা প্রশস্তকরণসহ একটি মডেল হিসেবে এ ওয়ার্ডকে গড়তে চান প্রার্থীরা।

ওয়ার্ড পরিচিতি : ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানা এ ওয়ার্ডে। সংসদীয় আসন ঢাকা-৫ এর অধীন। মোট ভোটার ৩৮ হাজার ৩৪৯ জন। তারমধ্যে পুরুষ ২০ হাজার ৪৩২, নারী ১৭ হাজার ৯১৭ জন।

ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত এলাকা : পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, উত্তর-পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, উত্তর যাত্রাবাড়ী, পূর্ব-দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী (ওয়াপদা কলোনি) ও দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী নিয়ে ডিএসসিসি’র ৫০ নম্বর ওয়ার্ড।

কাউন্সিলর পদে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন : ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মো. দেলোয়ার হোসেন খান (স্বতন্ত্র), আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বৃহত্তর ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মাসুম মোল্লা, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান অলি, মো. শাহাদাৎ হোসেন (রুবেল) (স্বতন্ত্র), ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন স্বাধীন, যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন সর্দার এবং মো. আমিনুর রহমান (আমির) (স্বতন্ত্র)।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর ওয়ার্ডের প্রতিটি অলিগলি বিশেষ করে শহীদ ফারুক সড়কসহ ওয়ার্ডের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা পাকা করে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। সড়কবাতি স্থাপন করেছি।

ওয়ার্ডে পানির সমস্যা রয়েছে। ওয়াসাকে কয়েকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু ওয়াসা কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটি প্রভাবশালী মহল জড়িত থাকায় মাদকের বিস্তার ঘটছে। মাঝেমধ্যে পুলিশ অভিযান চালালেও তারা আবার বেরিয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সুখে-দুখে রাতদিন পাশে আছি, আগামীতেও থাকব। আসন্ন নির্বাচনে বিগত দিনের কর্মকাণ্ডকে মনে রেখে পুনরায় ওয়ার্ডবাসী আমাকে কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

নির্বাচিত হলে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করে জলাবদ্ধতার অবসান, সরু রাস্তা প্রশস্তকরণ করে ওয়ার্ডের অসমাপ্ত কাজ সমাধা করে একটি মডেল ওয়ার্ড উপহার দেব।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত মাসুম মোল্লা বলেন, আমি আশাবাদী বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আমাকে কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন।

আর আমি কাউন্সিলর হলে ওয়ার্ডকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, ব্যায়ামাগার, পাঠাগার, খেলার মাঠ স্থাপন করে একটি মডেল ওয়ার্ড উপহার দেব।

বিএনপি সমর্থিত মো. ওয়াহিদুজ্জামান অলি বলেন, নির্বাচিত হলে আধুনিক স্যুয়ারেজ লাইনসহ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ড উপহার দেব।

মো. শাহাদাৎ হোসেন (রুবেল) বলেন, আমার বাবা মরহুম মো. আমীর হোসেন দীর্ঘ ২৩ বছর এ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। আমি বাবার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য ওয়ার্ডে কাজ করেছি।

বাসিন্দাদের ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডে বাবার ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করব। মো. আনোয়ার হোসেন স্বাধীন বলেন, নির্বাচিত হলে একটি আদর্শ ওয়ার্ড উপহার দেব।

আজকালের কন্ঠ /মিজান

প্রিন্ট করুন