Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৯:৫৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ জানুয়ারি ১৯, ২০২৩ , ৩:৩৫ অপরাহ্ণ

বাউফলে চেয়ারম্যানের নির্দেশে নারী ইউপি সদস্যকে শ্লীলতাহানী

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

সঞ্জয় দেবনাথ সিনিয়র রিপোর্টার : পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য রোজী ইসলামকে (২৯) শ্লীলতাহানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার বিকালে ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর পাশে মোবাইল টাওয়ার সংলগ্ন রাস্তার উপর এ ঘটনা ঘটেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রোজী ইসলাম ইউনিয়ন পরিষদের কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।

ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল নিয়ে স্থানীয় সাদ্দাম সিপাই ও মিলন খান নামের দুই যুবক তার পথরোধ করে টেনে হিচড়ে মাটিতে ফেলে দেয়। তারা রোজী ইসলামের হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ও হাতের আংটি ছিনিয়ে নেয়। রোজী ইসলামের বাসার ফার্নিচার কেনার জন্য ওই ভ্যানিটি ব্যাগে ৪৫ হাজার টাকা ছিল।

তার ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সাদ্দাম ও মিলন পালিয়ে যায়। পরে রোজী ইসলামকে উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রোজী ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলামের নির্দেশে দুই যুবক আমার শ্লীলতাহানী করে টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। সম্প্রতি চেয়ারম্যান আমাকে একটি প্রকল্পের সিপিসি করেছেন। ওই প্রকল্পের কাজ শেষ করে আমি বিল তুলেছি।

বিলের টাকা চেয়ারম্যান আমার কাছে চেয়েছেন। বিল তুলেছি কিনা তা আমার স্বামী আতিকুল ইসলাম হারুনকে ফোন করে চেয়ারম্যান জানতে চেয়েছেন। আমি চেয়ারম্যানের হাতে টাকা না দেয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছেন। এসব কারনে চেয়ারম্যান তার লোক দিয়ে আমাকে শ্লীলতাহানী করেছেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অবশ্য ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সদর ইউনিয়নের সব লোকই আমার। কে কি করেছে তা আমি জানি না। বর্তমানে আমি ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছি। তবে বিষয়টি আমি পুলিশকে অবহিত করেছি।

বাউফল থানার ওসি আল মামুন বলেন, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

প্রিন্ট করুন