Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৩:১৭ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ২০, ২০২২ , ৭:৩০ অপরাহ্ণ

স্থানীয় যুবকদের সহায়তায় ৪ লক্ষ মিটার জাল ট্রলার জব্দ

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

মো. মোশারফ হোসেন দশমিনা(পটুয়াখালী) : পটুয়াখালী দশমিনায় মা ইলিশ রক্ষায় তেঁতুলিয়া নদীতে স্থানীয় যুবকদের সহায়তায় ৪ লক্ষ মিটার জাল জব্দ।

জানা যায়, কিছুদিন হয় নৌপুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তাগন অভিযান পরিচালনা করার পর কিছু অসাধু জেলেরা নদীতে জালফেলে মা ইলিশ শিকার করে । স্থানীয়১০-১২ জন যুবকদের সহায়তায় বুধবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে ৪ লক্ষ মিটার জাল জব্দ করে এবং ৮-১০ টি জেলে ট্রলার নিয়ে মাইলিশ ধরতে গেলে ওত পেতে থাকা যুবকেরা তাদের দাওয়া করলে জেলেরা ট্রলারে জাল রেখে পালিয়ে যায়। পরে ট্রলার ও জাল নিয়ে আসা হয়। ট্রলার নৌ পুলিশের জিম্মায় রাখা হয় এবং জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়।

হাজিরহাট এলাকার জেলে আনছার বলেন যুবকদের এ উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযোগ আছে তাদের আদলে জেলেরা নদীতে মাছ ধরে। হঠাৎ করে যুবকদের এ অভিযান মা ইলিশ প্রজনন সময় কালে একটি যথাযোগ্য পদক্ষেপ। আমি নির্বাহী কর্মকর্তা সাহেবকে অনুরোধ করবো সরকারি হিসাব মতে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ প্রজনন সময়। বাকী সময় টুকু এ ভাবে অভিযান পরিচালনা করলে আগামীতে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছের অভাব হবে না।

গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা কুদ্দুস মোল্লা বলেন, নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগ যা না পারে স্থানীয় যুবকরা তা দেখিয়ে দিলো। দশমিনা নৌপুলিশ কে টাকা দিয়ে এ সকল জেলেরা নদীতে মাছ ধরে। এ বছর নৌ পুলিশ নামে মাত্র অভিযান পরিচালনা করে। তাদের যে জেলেরা টাকা দেয় তাদের জাল দেখেও দেখে না। তারা জাল ধরে বিক্রি করে এমন অভিযোগ আছে।

স্থানীয় যুবক সজিব বলেন আমরা প্রায় সময় শুনছি তেঁতুলিয়া নদীতে অসাধু জেলেরা মাছ ধরে। এ বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদকে বললে তিনি আমাদের অভিযানে অনুমতি দেন এবং প্রশাসনের সহায়তায় ৪ লক্ষ মিটার জাল ও ট্রলার আটক করতে সক্ষম হই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল জানান, তেঁতুলিয়া নদীতে কয়েকদিন হয় কিছু অসাধু জেলেরা মা ইলিশ শিকার করে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় যুবক স্বেচ্ছাসেবক ও সাংস্কৃতিক মনা যুবকদের সহতায় অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে ৪ লক্ষ মিটার জাল ও ট্রলার জব্দ করা হয়। পরে জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়, নৌপুলিশের দায়িত্বে ট্রলার জিম্মা রাখা হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আজকালের কন্ঠ /লতিব

প্রিন্ট করুন